Friday, May 5, 2017

শবে- বরাত-কী-?

শবে বরাত কী?
=================================================
بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمنِ الرَّحِيمِ إن الحمد لله نحمده ونستعينه ونستغفره ونعوذ بالله من شرور أنفسنا ومن سيئات أعمالنا من يهده الله فلا مضل له ومن يضلل فلا هادي له، وأشهد أن لا إله إلا الله وحده لا شريك له وأشهد أن محمدا عبده ورسوله-اما بعد
শব” শব্দটা ফার্সি। যার অর্থ হল-রাত। আর বরআত এটি আরবী শব্দ। মূলত
হল- ﺑﺮﺍﺀﺕ যার অর্থ হল “মুক্তি” তথা জাহান্নাম থেকে মুক্তির রাত হল শবে বরআত। বরাত বলাটা ভুল। কারণ শবে বরাত(ﺑﺮﺍﺕ ) মানে হল বিয়ের রাত। সুতরাং আমরা বলব-শবে বরআত( ﺷﺐ ﺑﺮﺍﺀﺕ )শবে বরআতকে হাদিসের পরিভাষায় বলা হয়েছে “লাইলাতুন নিসফি মিন শাবান"( ﻟﻴﻠﺔ ﺍﻟﻨﺼﻒ ﻣﻦ ﺷﻌﺒﺎن ) তথা শাবানের অর্ধ মাসের রাত্রি।
শবে বরআত হচ্ছে ইসলামের বিশেষ রাত্রিসমূহের মধ্যে একটি রাত্র। যা শা’বানের চৌদ্দ তারিখ দিবাগত রাত্রিতে হয়ে থাকে। শবে বরআত-এর অর্থ হচ্ছে ‘মুক্তির রাত’ বা ‘নাজাতের রাত।’
শবে বরআত সম্পর্কে কুরআন শরীফ ও হাদীছ শরীফ-এ বর্ণনা ‘শব’ ফার্সী শব্দ। যার অর্থ হচ্ছে, রাত। আর বরআত আরবী শব্দ যা উর্দূ, ফার্সী, বাংলা ইত্যাদি সব ভাষাতেই ব্যবহার হয়ে থাকে। যার অর্থ ‘মুক্তি’ ও ‘নাজাত’ ইত্যাদি। কুরআন শরীফ ও হাদীছ শরীফ-এর ভাষা যেহেতু আরবী তাই ফার্সী ‘শব’ শব্দটি কুরআন শরীফ ও হাদীছ শরীফ-এ না থাকাটাই স্বাভাবিক।
স্মর্তব্য যে, কুরআন শরীফ-এর ভাষায় ‘শবে বরআতকে’ ‘লাইলাতুম মুবারাকাহ বা বরকতময় রজনী’ এবং হাদীছ শরীফ-এর ভাষায় শবে বরআতকে ‘লাইলাতুন নিছফি মিন শা’বান’ বা শা’বানের চৌদ্দ তারিখ দিবাগত রাত’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। যেমন আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন, “নিশ্চয়ই আমি বরকতময় রজনীতে (শবে বরআতে) কুরআন শরীফ নাযিল করেছি অর্থাৎ নাযিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আর আমিই ভয় প্রদর্শনকারী।উক্ত রাত্রিতে আমার পক্ষ থেকে সমস্ত প্রজ্ঞাময় কাজগুলো ফায়সালা করা হয়। আর নিশ্চয়ই আমিই প্রেরণকারী।” (সূরা দুখান-৩, ৪, ৫)
আর হাদীছ শরীফ-এ বর্ণিত রয়েছে-
ﻋﻦ ﺍﻡ ﺍﻟﻤﺆﻣﻨﻴﻦ ﺣﻀﺮﺕ ﻋﺎﺋﺸﺔ ﻋﻠﻴﻬﺎ ﺍﻟﺴﻼﻡ ﻗﺎﻟﺖ ﻓﻭﺳﻠﻢ ﻟﻴﻠﺔ ﻓﺎﺫﺍ ﻫﻮ ﺑﺎﻟﺒﻘﻴﻊ ﻓﻘﺎﻝ ﺍﻛﻨﺖ ﺗﺨﺎﻓﻴﻦ ﺍﻥ ﻳﺤﻴﻒ ﺍﻟﻠﻪ
ﻋﻠﻴﻚ ﻭﺭﺳﻮﻟﻪ ﻗﻠﺖ ﻳﺎ ﺭﺳﻮﻝ ﺍﻟﻠﻪ ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ ﺍﻧﻰ ﻇﻨﻨﺖ ﺍﻧﻚ ﺍﺗﻴﺖ ﺑﻌﺾ ﻧﺴﺎﺋﻚ ﻓﻘﺎﻝ ﺍﻥ ﺍﻟﻠﻪ ﺗﻌﺎﻟﻰ ﻳﻨﺰﻝ ﻟﻴﻠﺔ
ﺍﻟﻨﺼﻒ ﻣﻦ ﺷﻌﺒﺎﻥ ﺍﻟﻰ ﺍﻟﺴﻤﺎﺀ ﺍﻟﺪﻧﻴﺎ ﻓﻴﻐﻔﺮ ﻻﻛﺜﺮ ﻣﻦ ﻋﺪﺩ ﺷﻌﺮ ﻏﻨﻢ ﻛﻠﺐ
অর্থঃ উম্মুল মু’মিনীন হযরত আয়িশা ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আল্লাহ’র হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামার সাথে কোন এক রাত্রিতে রাত্রি যাপন করছিলাম। এক সময় তাঁকে বিছানা মুবারক-এ না পেয়ে আমি মনে করলাম যে, তিনি হয়তো অন্য কোন উম্মুল মু’মিনীন আলাইহিস সালামের হুজরা শরীফে তাশরীফ নিয়েছেন। অতঃপর আমি তালাশ করে তাঁকে জান্নাতুল বাক্বীতে পেলাম। সেখানে তিনি উম্মতের জন্য আল্লাহ পাকের নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করছেন। এ অবস্থা দেখে আমি স্বীয় হুজরা শরীফে ফিরে আসলে তিনিও ফিরে এসে আমাকে বললেন, আপনি কি মনে করেছেন, আল্লাহ পাক সুবহানাহূ ওয়া তায়ালা ও তাঁর হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আপনার সাথে আমানতের খিয়ানত করেছেন! আমি বললাম, ইয়া রসূলাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আমি ধারণা করেছিলাম যে, আপনি হয়তো অপর কোন হুজরা শরীফে তাশরীফ নিয়েছেন।
অতঃপর হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, নিশ্চয়ই আল্লাহ পাক তিনি শা’বানের ১৫ তারিখ রাত্রিতে পৃথিবীর আকাশে অবতরণ করেন অর্থাৎ রহমতে খাছ নাযিল করেন। অতঃপর তিনি বনী কালবের মেষের গায়ে যতো পশম রয়েছে তার চেয়ে অধিক সংখ্যক বান্দাকে ক্ষমা করে থাকেন।” (তিরমিযী, ইবনে মাজাহ, রযীন, মিশকাত)
অতএব প্রমাণিত হলো যে, কুরআন শরীফ হাদীছ শরীফেই শবে বরআতের কথা উল্লেখ আছে। তবে কুরআন শরীফে বরআতের রাতকে ‘লাইলাতুম মুবারকাহ’ আর হাদীছ শরীফে ‘লাইলাতুন নিছফি মিন শা’বান’ বলা হয়েছে।
অনেকে বলে থাকে যে, সূরা দুখান-এর উক্ত আয়াত শরীফ দ্বারা শবে ক্বদরকে বুঝানো হয়েছে। কেননা উক্ত আয়াত শরীফে স্পষ্টই উল্লেখ আছে যে, “আমি কুরআন শরীফ নাযিল করেছি ….” আর কুরআন শরীফ যে ক্বদরের রাত্রিতে নাযিল হয়েছে তা ‘সূরায়ে ক্বদরেও’ উল্লেখ আছে। মূলতঃ যারা উপরোক্ত মন্তব্য করে থাকে তারা ‘সূরা দুখান-এর’ উক্ত আয়াত শরীফ-এর সঠিক ব্যাখ্যা না জানা ও না বুঝার কারণেই করে থাকে। মহান আল্লাহ পাক যে ‘সূরা দুখান’-এ বলেছেন, “আমি বরকতময় রজনীতে কুরআন শরীফ নাযিল করেছি।” এর ব্যাখ্যামূলক অর্থ হলো, “আমি বরকতময় রজনীতে কুরআন শরীফ নাযিলের ফায়সালা করেছি।”
আর ‘সূরা ক্বদরে’ যে বলেছেন, “আমি ক্বদরের রাত্রিতে কুরআন শরীফ নাযিল করেছি।” এর ব্যাখ্যামূলক অর্থ হলো, “আমি ক্বদরের রাত্রিতে কুরআন শরীফ নাযিল শুরু করি।” অর্থাৎ মহান আল্লাহ পাক “লাইলাতুম মুবারকাহ বা শবে বরআতে” কুরআন শরীফ নাযিলের সিদ্ধান্ত নেন আর শবে ক্বদরে তা নাযিল করা শুরু করেন।এজন্যে মুফাসসিরীনে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম শবে বরআতকে ﺍﻟﺘﺠﻮﻳز ﻟﻴﻠﺔ অর্থাৎ ‘ফায়সালার রাত।’ আর শবে ক্বদরকে ﻟﻴﻠﺔ ﺍﻟﺘﻨﻔﻴﺬ অর্থাৎ ‘জারী করার রাত’ বলে উল্লেখ করেছেন। কেননা শবে বরআতে যে সকল বিষয়ের ফায়সালা করা হয় তা ‘সূরা দুখান-এর’ উক্ত আয়াত শরীফেই উল্লেখ আছে। যেমন ইরশাদ হয়েছে, “উক্ত রজনীতে প্রজ্ঞাসম্পন্ন সকল বিষয়ের ফায়সালা করা হয়।” হাদীছ শরীফেও উক্ত আয়াতাংশের সমর্থন পাওয়া যায়। যেমন ইরশাদ হয়েছে, “বরআতের রাত্রিতে ফায়সালা করা হয় কতজন সন্তান আগামী এক বৎসর জন্ম গ্রহণ করবে এবং কতজন সন্তান মৃত্যু বরণ করবে। এ রাত্রিতে বান্দাদের আমলগুলো উপরে উঠানো হয় অর্থাৎ আল্লাহ পাক-উনার দরবারে পেশ করা হয় এবং এ রাত্রিতে বান্দাদের রিযিকের ফায়সালা করা হয়।” (বায়হাক্বী, মিশকাত)
কাজেই, আল্লাহ পাক তিনি যেহেতু বলেছেন যে, বরকতময় রজনীতে সকল কাজের ফায়সালা করা হয় আর তাঁর হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামও যেহেতু বলেছেন যে, বরআতের রজনীতেই সকল বিষয় যেমন- হায়াত, মউত, রিযিক, আমল ইত্যাদি যা কিছু মানুষের প্রয়োজন হয়ে থাকে তার ফায়সালা করা হয় সেহেতু বলার অপেক্ষা রাখেনা যে, “সূরা দুখান-এর” উক্ত আয়াত শরীফ দ্বারা শবে বরআতকেই বুঝানো হয়েছে। অতএব এ রাতে নফল নামাজ, সালাতুত তাসবীহ (নামাজ) তাহাজ্জুদ নামাজ কোরআন শরীফ তিলাওয়াত, জিকির,তসবীহ, এস্তেগফার, দরূদ,মীলাদ শরীফের মধ্যমে রাত কাটানো উত্তম।
[দলীলসমূহঃ ১) সূরা দুখান ২) তাফসীরে দুররে মনছূর, ৩) কুরতুবী, ৪) মাযহারী, ৫) তিরমিজী, ৬) ইবনে মাজাহ, ৭) বায়হাকী, ৮) মিশকাত ৯) মিরকাত ১০) আশয়াতুল লুময়াত ১১) ত্বীবি ১২) মুজাহারে হ্বক

সন্ত্রাস নিয়ে মানিক সরকার কে বিজেপির হুঁশিয়ারি

সন্ত্রাস নিয়ে মানিক সরকার কে বিজেপির হুঁশিয়ারি

আগরতলা ৫ই মে (এ.এন.ই ): ত্রিপুরায় ক্রমবর্ধমান রাজনৈতিক সন্ত্রাস নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য ভারতীয় জনতা পার্টি আজ আবার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার কে কড়া বার্তা দিয়েছে। একেই সঙ্গে বিজেপি নিরবে সন্ত্রাস সহ্য করবেনা বলেও স্পষ্ট করে দিয়েছে।
শুক্রবার বিজেপির সর্বভারতীয় সম্পাদক সুনীল দেওধর এবং রাজ্য সভাপতি বিপ্লব দেব সাংবাদিক সম্মেলন ডেকে সন্ত্রাস ইস্যুতে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করে দিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী কে রাজধর্ম পালন করার পরামর্শ দিয়েছেন বিজেপি নেতৃত্ব।
বিজেপির সর্বভারতীয় সম্পাদক সুনীল দেওধর বলেন গত ১লা মে মুখ্যমন্ত্রীর তথাকথিত স্বচ্ছতা আর জনদরদী হবার মুখোশ খসে পরেছে। সম্ভাব্য পরাজয়ের তাড়নায় তিনি তার ক্যাডারদের সন্ত্রাসের জন্য উস্কে দিয়েছেন। ের পরেই গত কয়েকদিনে সারা রাজ্যে বিজেপি কর্মিদের উপর হামলা। ১৪টি ঘটনা ঘটেছে যাতে ২০জন আহত হয়েছেন।
অন্যদিকে বিজেপি রাজ্য সভাপতি বলেন, মানিক সরকার ত্রিপুরায় জনগনের মুখ্যমন্ত্রী হয়ে উঠতে পারেনি। তিনি শুধু পার্টির নেতা। তবে অনেক সন্ত্রাস হয়েছে। বিজেপি কর্মিরা এখন আর চোখ বুঝে এই সব সহ্য করবেনা। সন্ত্রাস বন্ধ না করলে উপযুক্ত জবাব দেওয়া হবে। মানিক সরকার কে উচিৎ রাজধর্ম পালন করা।
সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে বিজেপি বৃহস্পতিবার রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে মিছিল সংঘটিত করেছে। বিজেপির নেতারা আজ উল্লেখ করেছেন সিপিআইএম কে এখন মনে রাখতে হবে এবার লড়াইটা কংগ্রেসের সঙ্গে নয়, বিজেপির সঙ্গে। ফলে সন্ত্রাস জারি রাখলে চরম পরিনতির শিকার হতে হবে।

Friday, April 28, 2017

প্রিয় সাথীরা" হয়ত এমন একটা সময় আসবে, যখন আমি থাকবো না,

"প্রিয় সাথীরা" হয়ত এমন একটা সময় আসবে, যখন আমি থাকবো না,কিন্তু ফেসবুক থাকবে। হয়ত আইডিটা ডিএ্যাকটিভ করেও যেতে পারবো না। একদিন হঠাৎ চিরতরে থেমে যাবে পোস্ট দেয়া। কালের সাক্ষী হয়ে থেকে যাবে আমার আইডি, রয়ে যাবে কিছু স্মৃতি। ইনবক্সে হয়ত নক করবে কেউ,কিন্তু রিপ্লাই দেয়ার কেউ থাকবে না। হয়ত কেউ সেদিন আমায় খুঁজবে। আমায় ভেবে আপন জনদের ক'ফোটা অশ্রু কারো গাল বেয়ে নামবে। :( হয়ত অস্ত যাওয়া সূর্যের দিকে তাকিয়ে আমায় খুঁজবে। নীড়ে ফেরা পাখিদের মাঝে আমায় খুঁজবে। রাতের তারার মাঝে আমায় খুঁজবে। একবার হলেও আমায় মিস করবে। কিন্তু ,,,,,,,,, আমি থাকবো না। :( হারিয়ে যাবো অচিনপুরে ফিরে আসবো না আর না ফেরার দেশ থেকে !!! তাই সবার তরে এই কামনা, মুনাজাতে এই অধমেরে কভু ভুলে যাবেন না !! সকলের নিকট দোয়া প্রার্থী আমি। আর পরিশেষে সকল ভাই -  বোন আর বন্ধুদের প্রতি আকুল আবেদন ,আসুন আমরা নামাজ পড়ি. জামাতের সাথে, আর ফেইজ বুকে দ্বীনের প্রচার করি, এমন কোন পোষ্ট করিব না যাহাতে গন মানুষের চরিএ নষ্ট হয়, প্রিয় সাথীরা হয়ত কাল কেয়ামতের দিন ইহাই আমাদের নাজাতের ব্যবস্হা হইবে, না হয় জাহান্নামে নিয়ে যাওয়ার দলিল হিসাবে থাকিবে !!! "হে আল্লাহ আমি যেন কালেমা পড়ে , আর আখেরি সেজদা করে তোমার দরবারে হাজির হইতে পারি সেই সু - ভাগ্য আমাকে নসিব করিও", আমিন ছুম্মা আমিন। মোঃ কবির হোসাইন । 29| ০4| 2017ইং রাএ 10টা 30 মিনিট,

Thursday, April 27, 2017

ও একটি গোরু "যাকে নিয়ে মিডিয়া এত জলঘোলা করছে।

                  ★★★গরু★গরু★গরু★★★
★"ও একটি গোরু "যাকে নিয়ে মিডিয়া এত জলঘোলা করছে ""
আজ ও নির্বোধ বলে এত ঝামেলা ""
তাই আমার কিছু কথা আছে,
🔜🔜⤵⤵
""   গোবেচারা গরু কি জানে তাদের নিয়ে এখন ভারতীয় সমাজ দু'ভাগ?  রাজনীতি  উত্তাল?
সম্পীতি চুরমার ? দারিদ্র নয়, শিক্ষা নয়, কাজ নয়,  উন্নয়ন নয়, দেশের সবচেয়ে বড় সমস্যা যেন গরুর মাংস ।
নারীপাচার, শিশুপাচারের চেয়েও বড়ো  ইস্যু গরুপাচার ।

গরু তুমি কার ?? হিন্দু,  না  , মুসলমানের?

(আজ যদি ওরা কথা বলতে পারতো )তাহলে নিশ্চয়ই  ওরা পাল্টা প্রশ্ন করত ""
আমার বাচ্চার দুধ কেড়ে যখন তোমরা পান করো, তখন তো এত দরদ  উথলে ওঠে না ??
#দুধ খাওয়া সময় কোনোও ভাগাভাগি নেই, তাহলে আমার #মাংস নিয়ে এত মারামারি কেন? ?

নিজেদের প্রয়োজনে কখনও  আমি তোমাদের "গোমাতা " আবার কখনও সুস্বাদু মাংস ।
আমি হিন্দুর ঘরে ভগবতী, বলে "পূজিত "মুসলমানের ঘরে "জমি চাষের প্রয়োজনে বলদ রুপে প্রতিপালিত ।
#আসলে দুধ শুষে নেওয়া ,পরিশ্রম করিয়ে নেওয়ার পর " শেষে আমার ঠিকানা "কসাইখানা "।

এই ধরনের প্রশ্ন যদি গরু সমাজের পক্ষ থেকে আসে "তাহলে কিন্তু "বাজার ____মানে ___জমে ক্ষির হয়ে যাবে "।
#কিন্তু প্রশ্ন করবে কে "?গরু কি আর মানুষের মত কথা বলে "?
ওরা তো শুধু ""হাম্বা হাম্বা ""ডাক ছাড়া না আছে  ওদের বোধ "না "আছে "বুদ্ধি "। ওরা অবোধ প্রান ,তাই অবহেলার পাত্র ।না হলে কেন নির্বোধ মানুষকে  আমরা "গরু বলে "আখ্যা দিই?
তখন গোমাতার সম্মানের কথা কারও মনে পরে না? ?তবে গরু তার নিজ গুণেই প্রমান করেছে যে, সে প্রানীসমাজের #সহিষ্ঞুতার  প্রতীক ।
যে অত্যাচার তাদের  উপর হয় তার বদলে পাল্টা কিছুই দেয় না তারা ।
মুখ বুজে সহ্য করাই দস্তুর ।
সমাজে দুর্বলই সবচেয়ে অত্যাচারিত ,এ চিরন্তন সত্য ।
তাই কেউ গরুর দুধের পুষ্ঠির লোভে,  আবার কেউ "সুস্বাদু মাংসের লোভে দৌড়াছে ।

আর  এই সব কারনেই "#রাজনীতির প্রয়োজনে আজ সমাজ দুটি ভাগে ভাগ হয়েছে "#এক হিন্দু  " #দুই মুসলিম ।

আসলে দেখতে গেলে কেউ গরুকে সম্মান বা তার  অধিকার ফিরিয়ে দিতে চাইছে না,
যে যার সার্থে "এই নির্বোধ প্রানী টা কে কাজে লাগাচ্ছে ।

#বিঃদ্র =কথা গুলো কি আমি কিছু ভুল বললাম, বন্ধুরা, নিজেরা একটু ঠান্ডা মাথায় চিন্তা করে দেখুন তো ।

Monday, April 17, 2017

mdkabir823: চলিতেছে মিনার নির্মাণ কাজ

mdkabir823: চলিতেছে মিনার নির্মাণ কাজ: আসসালামু আলাইকুম, প্রিয় দ্বিনি ভাইদের দৃষ্টি আকর্ষন করছি। আমাদের ফকিরাদোলা বাইতুন নুর জামে মসজিদের মিনার নির্মাণ কাজ চলিতেছে। যদি কে...

চলিতেছে মিনার নির্মাণ কাজ

আসসালামু আলাইকুম,
প্রিয় দ্বিনি ভাইদের দৃষ্টি আকর্ষন করছি।

আমাদের ফকিরাদোলা বাইতুন নুর জামে মসজিদের মিনার নির্মাণ কাজ চলিতেছে।

যদি কেউ দান করতে চান তাহলে নিচে দেওয়া ঠিকানায় যোগাযোগ করবেন।
       মসজিদ কমিটিঃ
ফকিরাদোলা বাইতুন নুর জামে মসজিদ,
ফকিরাদোলা,মতিনগর,সোনামুড়া,
সিপাহিজলা,ত্রিপুরা(ভারত)



Friday, April 14, 2017

আসসালামু আলাইকুম.......




আমি মোঃ কবির হোসেন....

পিতাঃ রহিম আআলি

গ্রামঃ ইউ,এন,সি নগর

পোঃ মতিনগর

থানাঃ সোনামুড়া

জেলাঃ সিপাহিজলা,
ত্রিপুরা,ভারতবর্ষ,
পিনঃ ৭৯৯১৮১



Thursday, January 19, 2017

পজাতন্ত্র দিবস ও ২৬শে জানুয়ারি

ভারতের সংবিধান ভারতীয় প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন। এই সংবিধানে সরকারের গঠন, কার্যপদ্ধতি, ক্ষমতা ও কর্তব্য নির্ধারণ, মৌলিক অধিকার, রাষ্ট্রপরিচালনার নির্দেশমূলক নীতি এবং নাগরিকদের কর্তব্য নির্ধারণের মাধ্যমে দেশের মৌলিক রাজনৈতিক আদর্শের রূপরেখাটি নির্দিষ্ট করা হয়েছে। ১৯৪৯ সালের ২৬ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হওয়ার পর ১৯৫০ সালের ২৬ জানুয়ারি থেকে এই সংবিধান কার্যকর হয়।
উল্লেখ্য, ১৯৩০ সালের ২৬ জানুয়ারি জাতীয় কংগ্রেসের ঐতিহাসিক স্বাধীনতা ঘোষণার স্মৃতিতে ২৬ জানুয়ারি তারিখটি সংবিধান প্রবর্তনের জন্য গৃহীত হয়েছিল। সংবিধানে ভারতীয় রাজ্যসংঘকে একটি সার্বভৌম, সমাজতান্ত্রিক, ধর্মনিরপেক্ষ গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র রূপে ঘোষণা করা হয়েছে; এই দেশের নাগরিকবৃন্দের জন্য ন্যায়বিচার, সাম্য ও স্বাধীনতা সুনিশ্চিত করা হয়েছে এবং জাতীয় সংহতি রক্ষার জন্য নাগরিকদের পরস্পরের মধ্যে ভ্রাতৃভাব জাগরিত করে তোলার জন্য অনুপ্রাণিত করা হয়েছে। "সমাজতান্ত্রিক", "ধর্মনিরপেক্ষ" ও "সংহতি" এবং সকল নাগরিকের মধ্যে "ভ্রাতৃভাব" – এই শব্দগুলি ১৯৭৬ সালে একটি সংবিধান সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানের সঙ্গে যুক্ত করা হয়। সংবিধান প্রবর্তনের স্মৃতিতে প্রতি বছর ২৬ জানুয়ারি তারিখটি প্রজাতন্ত্র দিবস হিসেবে উদযাপন করা হয়।
ভারতের সংবিধান বিশ্বের সার্বভৌম রাষ্ট্রগুলির মধ্যে বৃহত্তম লিখিত সংবিধান। এই সংবিধানে মোট ২৪টি অংশে ৪৪৮টি ধারা, ১২টি তফসিল এবং ১১৩টি সংশোধনী বিদ্যমান। ভারতের সংবিধানের ইংরেজি সংস্করণে মোট শব্দসংখ্যা ১১৭,৩৬৯। এই সংবিধানের প্রবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে পূর্বপ্রচলিত ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনের অবসান ঘটে। দেশের সর্বোচ্চ আইন হওয়ার দরুন, ভারত সরকার প্রবর্তিত প্রতিটি আইনকে সংবিধান-অনুসারী হতে হয়। সংবিধানের খসড়া কমিটির চেয়ারম্যান ড. ভীমরাও রামজি আম্বেডকর ছিলেন ভারতীয় সংবিধানের প্রধান স্থপতি।
প্রজতন্ত্র দিবস গোটা ভারত জুড়ে প্রতি বছর অত্যন্ত মর্যাদার সঙ্গে পালন করা হয়। শহিদ ও স্বাধীনতা সংগ্রামীদের স্মরণ করা হয়, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়, ছোটদের প্রভাত ফেরি তো থাকেই। পাশাপাশি পাড়ায় পাড়ায়, স্কুলে স্কুলে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়।
সূত্র: উইকিপিডিয়া

Saturday, December 10, 2016

১২ রবিউল আউওয়াল কি করবেন ?

আসসালামু আলাইকুম ওয়ারহমাতুল্লাহ

আপনি রোজা ও কোরবানীর ঈদে নতুন কাপড় পরেন,
ঘরে আলাদা করে মেহমানদারীর ব্যবস্থা করেন,
ঘরবাড়ি সাজান, মানুষকে দাওয়াত দেন।

তাহলে---

-যে দিন আমাদের প্রিয় নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পৃথিবীতে আগমণ করেন,
-যেই দিন আমরা নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে আমাদের মধ্যে পাই,
সেই দিন তো আমাদের জন্য সবচেয়ে খুশির দিন। ঐদিনটিকে তো আমাদের আরো সুন্দর করে, জাকজমক করে উদযাপন করা উচিত।
আপনারা প্রত্যেকে চেষ্টা করবেন- ঐদিন নতুন কাপড় পরার জন্য,
আপনারা চেষ্টা করবেন ঐদিন বাসায় মেহমানদারির ব্যবস্থা রাখার জন্য
আপনারা প্রত্যেকে ঐদিন বাসাবাড়ি সাজাবেন, মানুষকে দাওয়াত দিবেন।
এখন বলুন তো-
এই কাজগুলো করলে আপনি ফজিলত পাবেন ?
উত্তর- সূরা ইউনুস খুলে দেখুন। সেখানে কি বলা আছে-
“ হে আমার হাবীব সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি সবাইকে জানিয়ে দিন, তারা যে ফজল ও রহমত (অর্থাৎ নবীজিকে) পেয়েছে, সে উপলক্ষে তারা যেন ঈদ পালন বা খুশি প্রকাশ করে। নিশ্চয়ই এ খুশি করাটা তাদের সঞ্চিত সমস্ত নেক আমল হতে উত্তম।” (সূরা ইউনুস: ৫৮) সুবহানাল্লাহ।
অর্থাৎ এ দিনটিতে প্রিয় হাবীব সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে পাওয়া উপলক্ষে খুুশি করার ফজিলত হচ্ছে দুনিয়া ও আখিরাতের সঞ্চিত সকল কিছু থেকেই উত্তম। সুবহানাল্লাহ। তাই আপনি ঐদিন উপলক্ষে খূশি করলে, নতুন জামা-কাপড় পড়লে, মেহমানদারি করলে, ঘরবাড়ি সাজালে এর ফাজিলতও হবে সকল কিছুর থেকেই উত্তম। সুবহানাল্লাহ।

Tuesday, November 22, 2016

বার্মা মানে নিশ্চিত মৃত্যু, বলছেন পালিয়ে আসা রোহিঙ্গারা।


বার্মা মানে নিশ্চিত মৃত্যু, বলছেন পালিয়ে আসা রোহিঙ্গারা
এক ঘণ্টা আগে
শেয়ার করুন
পালিয়ে আসা রোহিঙ্গারাImage
Image
রোববার রাতে মংডু থেকে পালিয়ে বাংলাদেশের টেকনাফে আশ্রয় নেন এরা।
মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের মংডু থেকে পালিয়ে আসা অনেক রোহিঙ্গা বলেছেন, মিয়ানমারে থাকা মানে নিশ্চিত মৃত্যু, তাই তাঁরা বাংলাদেশেই থেকে যেতে চান।
বাংলাদেশ সরকার সীমান্তে কঠোর নজরদারি চালালেও বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় এসে আশ্রয় নিচ্ছেন রাখাইনের রোহিঙ্গা মুসলিমরা।
রোববার রাতেও নৌকায় করে টেকনাফের হ্নীলা এলাকায় এসেছেন অন্তত ১৩ জন রোহিঙ্গা। এদের সাথে কথা বলেছেন বিবিসির সংবাদদাতা আকবর হোসেন।
জানা গেছে, রাখাইনের সহিংস পরিস্থিতি থেকে পালিয়ে রোববার রাতে একটি নৌকায় করে টেকনাফের উদ্দেশ্যে রওনা দেন অন্তত ২০ জন রোহিঙ্গা মুসলমান।
কিন্তু নাফ নদীর মাঝপথে তাদের নৌকা ডুবে যায়। তখন অন্য একটি নৌকা এসে তাদের বাঁচালেও ৭ জন যাত্রী এখনও নিখোঁজ রয়েছে। নিখোঁজদের মধ্যে শিশুও রয়েছে।
প্রাণভয়ে পরিবার নিয়ে বাংলাদেশের সীমান্তে আসার সময় তিন সন্তানকে হারিয়েছেন হুমায়ুন কবির ও রোকেয়া বেগম।
হুমায়ুন কবির বলেছেন, তিনি আর মিয়ানমারে ফিরে যেতে চান না, যেভাবেই হোক বাংলাদেশেই থেকে যেতে চান তারা।
"ওইখানে খারাপ ছিলাম না। কিন্তু এখন সেখানে যে পরিস্থিতি থাকার মতো অবস্থা আর নাই। ওইখানে ফিরে গেলে নিশ্চিত মৃত্যু" - বলছিলেন হুমায়ুন কবির।
মি: কবির বলছেন তাদের সাথে আরও অনেক রোহিঙ্গা মুসলিম বাংলাদেশে আসার প্রস্তুতি নিচ্ছিল, কয়েকটি নৌকায় তারা রওনাও দিয়েছিল। কিন্তু তাদের এখন কী অবস্থা, জানেন না তিনি।facebook.com/mdhossain823