Saturday, July 6, 2019
Wednesday, February 6, 2019
Friday, August 17, 2018
Wednesday, August 15, 2018
Thursday, August 9, 2018
Friday, July 6, 2018
Wednesday, July 4, 2018
Saturday, March 31, 2018
"এপ্রিল ফুলের হৃদয় বিদারক বিস্তারিত ইতিহাস "
The victory of Spain in Spain is a historic event. At the time of the conquest of Spain, a king named Witija ruled there. Suddenly, Witija was overthrown by a radical throne. Radical was very ambitious and oppressive
The person Radical Emperor Vitija killed brutally.
Then the radar's focus was focused on small independent states. Radical first invades Spain's independent king of Countdown Island in the southern part of Spain, Count Julian. Julien was initially forced to leave the state after being defeated. Later, Julian Siouta and Algiciras took up the role of governor. Contemporary rules of Europe were to send the son of the governor of the province or the son of Samantaraja to the Central Raj Darbar. Probably there were two reasons. Governors or feudalists should not be able to declare rebellion easily. Another reason was that, in the royal environment, Ad-Kaida, Acquire right knowledge and ideas about military-management and politics. So Count Julian sent her very beautiful daughter Florida to the capital of Toledo. During his stay in the capital, the King was fascinated by the beauty of the radar florida. Julian Tanar stretched her hand toward her desire. This behavior was as serious and so dishonorable as it was. Floridas secretly sent the news to her father with the description of this insulting incident. Thus, the King's relationship with Count Julian was not good. Contempt of daughter is associated with the pain of losing the kingdom. In order to take revenge and to liberate the country from the radical name of the nymph, Julian invited Moses Nusire to Spain in the hope of freeing. Now, the commander, Musa bin Nusai, successfully launched a successful operation in Spain with Algiers, with four 'infantry' and 'hundred cavalry' to Tarif bin Malik for the pilot mission. After receiving the news of this successful operation, the assistant of Musa bin Nussair Sen. Tariq bin Ziad, a Mujahid army consisted of seven Hazara soldiers, successfully crossed the Mediterranean and Atlantic Ocean connecting process, descended into the territory of 920 AH, or 711 AD, according to Shaban, in April or May in Spain. The hill that Tariq had landed on it was named 'Jabalut Tariq' (Gibralter).
এ সংবাদ স্পেনের শাসনকর্তা রডারিকের কর্ণগোচর হওয়া মাত্র তিনি যথাসাধ্য প্রস্ত্ততি নিলেন আক্রমণ প্রতিরোধের জন্য। অন্যদিকে সেনাপতি তারিকও তাঁর অভিযানকে স্পেনের মূল ভূখন্ডের দিকে পরিচালনা করলে সেনাধ্যক্ষ মূসা পাঁচ হাযার সৈন্য প্রেরণ করেন। সর্বমোট ১২০০০ সৈন্যসহ সেনাপতি তারিক অগ্রসর হন। ১৯ জুলাই ৭১১ খ্রীষ্টাব্দে মুসলিম বাহিনী এবং গথিক রাজা রডারিকের নিয়মিত বাহিনীর মধ্যে ওয়াদী লাজু নামক স্থানে এক তুমুল যুদ্ধ সংঘটিত হয়। এই যুদ্ধে গথিক বাহিনী ছিন্ন-ভিন্ন হয়ে পলায়ন করে। হাযার হাযার গথিক সৈন্য মৃত্যুবরণ করে। রডারিক উপায়ান্তর না দেখে পলায়ন করতে গিয়ে নদীবক্ষে ঝাঁপ দিয়ে প্রাণ হারান। তারিক আরো অগ্রসর হওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। তিনি মুসলিম বাহিনীকে উদ্দেশ্য করে এই ভাষণ দেন যে, ‘তোমাদের সম্মুখে শত্রুদল এবং পিছনে বিশাল বারিধি। তাই আল্লাহ্র কসম করে বলছি, যে কোন পরিস্থিতিতে ধৈর্যধারণ ও অবিচল থাকা এবং আল্লাহ্র সাথে কৃত ওয়াদা বাস্তবায়ন করা ব্যতীত তোমাদের বিকল্প কোন পথ নেই’। সৈনিকগণও সেনাপতির ভাষণের জবাব দেয়, জয় না হওয়া পর্যন্ত আমরা সংগ্রাম চালিয়ে যাব। কারণ আমরা সত্য প্রতিষ্ঠায় দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।
মুসলিম সৈনিকদের প্রচন্ড আক্রমণের ফলে গথিক রাজ্যের একটির পর একটি শহরের পতন হ’তে থাকে। ৭১১ খ্রীষ্টাব্দের অক্টোবরে মুসলমানরা কর্ডোভা জয় করেন। মুসলমানরা স্পেন জয় করার পর প্রথমে সেভিল (Seville) কে রাজধানী হিসাবে ঘোষণা করেন। কিন্তু সোলাইমান ইবনু আব্দিল মালিকের যুগে স্পেনের গভর্ণর সামাহ বিন মালেক খাওলানী রাজধানী সেভিল থেকে কর্ডোভায় স্থানান্তরিত করেন। এরপর এই কর্ডোভা শতাব্দীর পর শতাব্দী স্পেনের রাজধানী হিসাবে থেকে যায়। এভাবে পযার্য়ক্রমে বৃহত্তর স্পেন মুসলমানদের নেতৃত্বে চলে আসে। ইসলামী শাসনের শাশ্বত সৌন্দর্য ও ন্যায় বিচারে মুগ্ধ হয়ে হাযার হাযার মানুষ ইসলামের ছায়াতলে আশ্রয় গ্রহণ করে। সাথে সাথে জ্ঞান-বিজ্ঞান, সাহিত্য-সংস্কৃতি ও শিল্প-সভ্যতার ক্ষেত্রে বিস্ময়কর উন্নতি সাধিত হ’তে থাকে।
এদিকে ইউরোপীয় খ্রীষ্টান রাজাদের চক্ষুশূলের কারণ হয় মুসলমানদের এই অগ্রগতি। ফলে ইউরোপীয় মাটি থেকে মুসলিম শাসনের উচ্ছেদ চিন্তায় তারা ব্যাকুল হয়ে উঠে। অতঃপর আরগুনের ফার্ডিন্যান্ড এবং কাস্তালিয়ার পর্তুগীজ রাণী ইসাবেলা এই দু’জনই চরম মুসলিম বিদ্বেষী খ্রীষ্টান নেতা পরস্পর বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়। তাঁরা সর্বাত্মক শক্তি প্রয়োগ করে মুসলমানদের উপর আঘাত হানবার জন্য মরিয়া হয়ে উঠে। তারা মুসলমানদের দুর্বলতার সুযোগ খুঁজতে থাকে। এমন এক মুহূর্তে ১৪৮৩ সালে আবুল হাসানের পুত্র আবু আব্দিল্লাহ বোয়াবদিল খ্রীষ্টান শহর লুসানা আক্রমণ করে পরাজিত ও বন্দী হন। এবার ফার্ডিন্যান্ড বন্দী বোয়াবদিলকে গ্রানাডা ধ্বংসের হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহার করে। একদল সৈন্য দিয়ে বোয়াবদিলকে প্রেরণ করে তাঁরই পিতৃব্য আল-জাগালের বিরুদ্ধে। বিশ্বাসঘাতক বোয়াবদিল ফার্ডিন্যান্ডের ধূর্তামি বুঝতে পারেননি এবং নিজেদের পতন নিজেদের দ্বারাই সংঘটিত হবে এ কথা তখন তার মনে জাগেনি। খ্রীষ্টানরাও উপযুক্ত মওকা পেয়ে তাদের লক্ষ্যবস্ত্তর উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে পরিকল্পনা কার্যকর করতে থাকে। বোয়াবদিল গ্রানাডা আক্রমণ করলে আজ-জাগাল উপায়ন্তর না দেখে মুসলিম শক্তিকে টিকিয়ে রাখার মানসেই বোয়াবদিলকে প্রস্তাব দেন যে, গ্রানাডা তারা যুক্তভাবে শাসন করবেন এবং সাধারণ শত্রুদের মোকাবেলার জন্য লড়াই করতে থাকবেন। কিন্তু আজ-জাগালের দেয়া এ প্রস্তাব অযোগ্য ও হতভাগ্য বোয়াবদিল প্রত্যাখ্যান করেন। শুরু হয় উভয়ের মাঝে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ।
ফার্ডিন্যান্ড ও রাণী ইসাবেলা মুসলমানদের এই আত্মঘাতী গৃহযুদ্ধের সুযোগ গ্রহণ করে গ্রাম-গঞ্জের নিরীহ মুসলিম নারী-পুরুষকে হত্যা করে গ্রামের পর গ্রাম জ্বালিয়ে দিতে দিতে ছুটে আসে শহরের দিকে। অতঃপর রাজধানী গ্রানাডা অবরোধ করে। এতক্ষণে টনক নড়ে মুসলিম সেনাবাহিনীর। তারা গা ঝাড়া দিয়ে উঠে। তাতে ভড়কে যায় সম্মিলিত কাপুরুষ খ্রীষ্টান বাহিনী। সম্মুখ যুদ্ধে নির্ঘাত পরাজয় বুঝতে পেরে তারা ভিন্ন পথ অবলম্বন করে। তারা আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দেয় শহরের বাইরের সকল শস্য খামার এবং বিশেষ করে শহরের খাদ্য সরবরাহের প্রধান উৎস ‘ভেগা’ উপত্যকা। ফলে অচিরেই দুর্ভিক্ষ নেমে আসে শহরে। খাদ্যাভাবে সেখানে হাহাকার দেখা দেয়। এই সুযোগে প্রতারক খ্রীষ্টান রাজা ফার্ডিন্যান্ড ঘোষণা করে, ‘মুসলমানেরা যদি শহরের প্রধান ফটক খুলে দেয় এবং নিরস্ত্র অবস্থায় মসজিদে আশ্রয় নেয়, তাহ’লে তাদেরকে বিনা রক্তপাতে মুক্তি দেয়া হবে। আর যারা খ্রীষ্টান জাহাজগুলোতে আশ্রয় নিবে, তাদেরকে অন্যান্য মুসলিম রাষ্ট্রে পাঠিয়ে দেয়া হবে। অন্যথা আমার হাতে তোমাদেরকে প্রাণ বিসর্জন দিতে হবে’।
দুর্ভিক্ষতাড়িত অসহায় নারী-পুরুষ ও মাছুম বাচ্চাদের কচি মুখের দিকে তাকিয়ে মুসলিম নেতৃবৃন্দ সেদিন খ্রীষ্টান নেতাদের আশ্বাসে বিশ্বাস করে শহরের প্রধান ফটক খুলে দেন ও সবাইকে নিয়ে আল্লাহ্র ঘর মসজিদে আশ্রয় নেন। কেউবা জাহাজগুলোতে আশ্রয় গ্রহণ করেন। কিন্তু শহরে ঢুকে খ্রীষ্টান বাহিনী নিরস্ত্র মুসলমানদেরকে মসজিদে আটকিয়ে বাহির থেকে প্রতিটি মসজিদে তালা লাগিয়ে দেয়। অতঃপর একযোগে সকল মসজিদে আগুন লাগিয়ে বর্বর উল্লাসে ফেটে পড়ে নরপশুরা। আর জাহাজগুলোকে মাঝ দরিয়ায় ডুবিয়ে দেয়া হয়। কেউ উইপোকার মত আগুনে পুড়ে ভস্ম হয়ে গেল, কারো হ’ল সলিল সমাধি। প্রজ্জ্বলিত অগ্নিশিখায় দগ্ধীভূত ৭ লক্ষাধিক অসহায় মুসলিম নারী-পুরুষ ও শিশুদের আর্তচিৎকারে গ্রানাডার আকাশ-বাতাস যখন ভারী ও শোকাতুর হয়ে উঠেছিল, তখন হিংস্রতার নগ্নমূর্তি ফার্ডিন্যান্ড আনন্দের আতিশয্যে স্ত্রী ইসাবেলাকে জড়িয়ে ধরে ক্রূর হাসি হেসে বলতে থাকে, Oh! Muslim! How fool you are! ‘হায় মুসলমান! তোমরা কত বোকা’।
যেদিন এই হৃদয় বিদারক, মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনা ঘটেছিল, সে দিনটি ছিল ১৪৯২ খ্রীষ্টাব্দের ১লা এপ্রিল। সেদিন থেকেই খ্রীষ্টান জগৎ প্রতি বছর ১লা এপ্রিল সাড়ম্বরে পালন করে আসছে April fools Day তথা ‘এপ্রিলের বোকা দিবস’ হিসাবে। মুসলমানদের বোকা বানানোর এই নিষ্ঠুর ধোঁকাবাজিকে স্মরণীয় করে রাখার উদ্দেশ্যে সমগ্র ইউরোপে প্রতিবছর ১লা এপ্রিল ‘এপ্রিল ফুল’ দিবস হিসাবে পালিত হয়।
পৃথিবীর ইতিহাসে ঠান্ডা মাথার এই নিষ্ঠুর প্রতারণা ও লোমহর্ষক নির্মম হত্যাকান্ডের আর কোন নযীর নেই। কিন্তু এত বড় ট্রাজেডীর পরেও আজ পর্যন্ত খ্রীষ্টান বিশ্ব কখনোই অপরাধ বোধ করেনি। বরং উল্টা তারা গত ১৯৯৩ সালের ১লা এপ্রিল তারিখে গ্রানাডা বিজয়ের পাঁচশ’ বর্ষপূর্তি উপলক্ষে স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদে খ্রীষ্টান সম্প্রদায়ের বিশ্ব নেতৃবৃন্দ আড়ম্বরপূর্ণ এক সভায় মিলিত হয়ে নতুন করে শপথ গ্রহণ করে একচ্ছত্র খ্রীষ্টীয় বিশ্ব প্রতিষ্ঠার। বিশ্বব্যাপী মুসলিম জাগরণ প্রতিহত করার জন্য গড়ে তোলে ‘হলি মেরী ফান্ড’। বিশ্বের বিভিন্ন খ্রীষ্টান রাষ্ট্র উক্ত ফান্ডে নিয়মিত চাঁদা জমা করে মুসলমানদের নিশ্চিহ্ন করার জন্য বিশ্বব্যাপী গড়ে তুলেছে অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক নেটওয়ার্ক। আজ এই জঘন্য উৎসব আমাদের মুসলমানদের জাতীয় জীবনেও প্রবেশ করেছে। প্রতি বছর ইংরেজী মাসের ১লা এপ্রিল ভোরে উঠেই একে অপরকে ধোঁকা দিয়ে বোকা বানানোর ন্যক্কারজনক কাজে শরীক হয়ে বেশ আনন্দ উপভোগ করে থাকে ছেলে থেকে শুরু করে বুড়ো পর্যন্ত অনেকে। লক্ষ্য করা যায়, গ্রামে-গঞ্জে-শহরে শিক্ষিত-অশিক্ষি
ত, স্বল্পশিক্ষিত এমনকি সর্বোচ্চ শিক্ষিত জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই একে অপরকে নানাভাবে বিভিন্ন কৌশলে বোকা বানিয়ে আনন্দ পায়। শ্রেণীকক্ষের টেবিল-চেয়ার উল্টিয়ে, কলমের নিব সরিয়ে ইত্যাদি বিবিধ কৌশলে শিক্ষকদের বোকা বানানো হয়। আর শিক্ষক কিংবা শিক্ষিকারাও একটু মুচকি হাসির মাধ্যমে খুব সহজেই তা বরণ করে নেন। এ দিনটিতে মানুষকে বোকা বানানোর জন্য প্রতারণা, ধোঁকাবাজি, ছলনা ও মিথ্যা বলার মাধ্যমে নিজেকে চালাক প্রমাণ করার মানসে একশ্রেণীর মানুষকে খুব তৎপর দেখা যায়। তারা ধোঁকার এই নাটক রচনা করে প্রচুর কৌতুকও উপভোগ করে থাকে। এই নিমর্ম কৌতুকের কারণে প্রত্যেক বছর কত যে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটছে, তার কোন ইয়ত্তা নেই।
১লা এপ্রিলের ঐতিহাসিক ঐ হৃদয়বিদারক ঘটনায় কার না মন শিউরে উঠে, কার না হৃদয় কেঁদে উঠে। কিন্তু মুসলমানদের মধ্যে কোন প্রতিক্রিয়া নেই, নেই কোন ভাবনা। ১লা এপ্রিলের ঘটনা স্মরণ করে মুসলমানরা সতর্ক হবে, শিক্ষা নিবে এমন কোন লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। বরং এর উল্টো প্রভাবই বিরাজ করছে। ১লা এপ্রিল অনেক মুসলিম অমুসলিমদের হাতে হাত মিলিয়ে বিজাতীয় আনন্দ-উল্লাসে মেতে উঠে। খ্রীষ্টান সংগঠন এ দিনে যখন বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে, তখন মুসলমানেরাও তাতে অংশ নেয়। মুসলিম সমাজের জন্য এর চেয়ে দুঃখ ও লজ্জার কারণ আর কি হ’তে পারে? মুসলমানরা কেন ‘এপ্রিল ফুল’ দিবস পালন করবে? তারা কি ইতিহাস জানে না? যদি ইতিহাস না জেনে পালন করা হয়, তাহ’লে বলতে হবে, আমরা আসলেই বোকা। কারণ না যেনে কেন একটা দিবস পালন করব? আর যদি ইতিহাস জেনেই পালন করা হয়, তাহ’লে এটাই প্রমাণিত হয় যে, আমাদের মত অনুভূতিহীন অসচেতন জাতি গোটা বিশ্বে দ্বিতীয়টি নেই।
Even when the culture of making such fool-proof culture is seen in the country's best-known universities, it is astonishingly shameful. Because the higher degree seeker educated society why the spheres will rattle? From these educators, what culture and culture will this country and nation receive? April 1st reminds us that our ancestors' 780 years of glorious Spain's history of Muslim civilization, the last of the 7 million Muslim brothers and sisters of deceit of Christians, and the tragic history of Muslim killings, and the tragic history of Muslim killings.
Today, the chaos of the history of the Jewish and Christian world is the victim of oppression of the Muslim nation and the Muslim world. The life of the Muslims, which has been repeatedly violent in their hearts, is taking place.
এ সংবাদ স্পেনের শাসনকর্তা রডারিকের কর্ণগোচর হওয়া মাত্র তিনি যথাসাধ্য প্রস্ত্ততি নিলেন আক্রমণ প্রতিরোধের জন্য। অন্যদিকে সেনাপতি তারিকও তাঁর অভিযানকে স্পেনের মূল ভূখন্ডের দিকে পরিচালনা করলে সেনাধ্যক্ষ মূসা পাঁচ হাযার সৈন্য প্রেরণ করেন। সর্বমোট ১২০০০ সৈন্যসহ সেনাপতি তারিক অগ্রসর হন। ১৯ জুলাই ৭১১ খ্রীষ্টাব্দে মুসলিম বাহিনী এবং গথিক রাজা রডারিকের নিয়মিত বাহিনীর মধ্যে ওয়াদী লাজু নামক স্থানে এক তুমুল যুদ্ধ সংঘটিত হয়। এই যুদ্ধে গথিক বাহিনী ছিন্ন-ভিন্ন হয়ে পলায়ন করে। হাযার হাযার গথিক সৈন্য মৃত্যুবরণ করে। রডারিক উপায়ান্তর না দেখে পলায়ন করতে গিয়ে নদীবক্ষে ঝাঁপ দিয়ে প্রাণ হারান। তারিক আরো অগ্রসর হওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। তিনি মুসলিম বাহিনীকে উদ্দেশ্য করে এই ভাষণ দেন যে, ‘তোমাদের সম্মুখে শত্রুদল এবং পিছনে বিশাল বারিধি। তাই আল্লাহ্র কসম করে বলছি, যে কোন পরিস্থিতিতে ধৈর্যধারণ ও অবিচল থাকা এবং আল্লাহ্র সাথে কৃত ওয়াদা বাস্তবায়ন করা ব্যতীত তোমাদের বিকল্প কোন পথ নেই’। সৈনিকগণও সেনাপতির ভাষণের জবাব দেয়, জয় না হওয়া পর্যন্ত আমরা সংগ্রাম চালিয়ে যাব। কারণ আমরা সত্য প্রতিষ্ঠায় দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।
মুসলিম সৈনিকদের প্রচন্ড আক্রমণের ফলে গথিক রাজ্যের একটির পর একটি শহরের পতন হ’তে থাকে। ৭১১ খ্রীষ্টাব্দের অক্টোবরে মুসলমানরা কর্ডোভা জয় করেন। মুসলমানরা স্পেন জয় করার পর প্রথমে সেভিল (Seville) কে রাজধানী হিসাবে ঘোষণা করেন। কিন্তু সোলাইমান ইবনু আব্দিল মালিকের যুগে স্পেনের গভর্ণর সামাহ বিন মালেক খাওলানী রাজধানী সেভিল থেকে কর্ডোভায় স্থানান্তরিত করেন। এরপর এই কর্ডোভা শতাব্দীর পর শতাব্দী স্পেনের রাজধানী হিসাবে থেকে যায়। এভাবে পযার্য়ক্রমে বৃহত্তর স্পেন মুসলমানদের নেতৃত্বে চলে আসে। ইসলামী শাসনের শাশ্বত সৌন্দর্য ও ন্যায় বিচারে মুগ্ধ হয়ে হাযার হাযার মানুষ ইসলামের ছায়াতলে আশ্রয় গ্রহণ করে। সাথে সাথে জ্ঞান-বিজ্ঞান, সাহিত্য-সংস্কৃতি ও শিল্প-সভ্যতার ক্ষেত্রে বিস্ময়কর উন্নতি সাধিত হ’তে থাকে।
এদিকে ইউরোপীয় খ্রীষ্টান রাজাদের চক্ষুশূলের কারণ হয় মুসলমানদের এই অগ্রগতি। ফলে ইউরোপীয় মাটি থেকে মুসলিম শাসনের উচ্ছেদ চিন্তায় তারা ব্যাকুল হয়ে উঠে। অতঃপর আরগুনের ফার্ডিন্যান্ড এবং কাস্তালিয়ার পর্তুগীজ রাণী ইসাবেলা এই দু’জনই চরম মুসলিম বিদ্বেষী খ্রীষ্টান নেতা পরস্পর বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়। তাঁরা সর্বাত্মক শক্তি প্রয়োগ করে মুসলমানদের উপর আঘাত হানবার জন্য মরিয়া হয়ে উঠে। তারা মুসলমানদের দুর্বলতার সুযোগ খুঁজতে থাকে। এমন এক মুহূর্তে ১৪৮৩ সালে আবুল হাসানের পুত্র আবু আব্দিল্লাহ বোয়াবদিল খ্রীষ্টান শহর লুসানা আক্রমণ করে পরাজিত ও বন্দী হন। এবার ফার্ডিন্যান্ড বন্দী বোয়াবদিলকে গ্রানাডা ধ্বংসের হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহার করে। একদল সৈন্য দিয়ে বোয়াবদিলকে প্রেরণ করে তাঁরই পিতৃব্য আল-জাগালের বিরুদ্ধে। বিশ্বাসঘাতক বোয়াবদিল ফার্ডিন্যান্ডের ধূর্তামি বুঝতে পারেননি এবং নিজেদের পতন নিজেদের দ্বারাই সংঘটিত হবে এ কথা তখন তার মনে জাগেনি। খ্রীষ্টানরাও উপযুক্ত মওকা পেয়ে তাদের লক্ষ্যবস্ত্তর উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে পরিকল্পনা কার্যকর করতে থাকে। বোয়াবদিল গ্রানাডা আক্রমণ করলে আজ-জাগাল উপায়ন্তর না দেখে মুসলিম শক্তিকে টিকিয়ে রাখার মানসেই বোয়াবদিলকে প্রস্তাব দেন যে, গ্রানাডা তারা যুক্তভাবে শাসন করবেন এবং সাধারণ শত্রুদের মোকাবেলার জন্য লড়াই করতে থাকবেন। কিন্তু আজ-জাগালের দেয়া এ প্রস্তাব অযোগ্য ও হতভাগ্য বোয়াবদিল প্রত্যাখ্যান করেন। শুরু হয় উভয়ের মাঝে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ।
ফার্ডিন্যান্ড ও রাণী ইসাবেলা মুসলমানদের এই আত্মঘাতী গৃহযুদ্ধের সুযোগ গ্রহণ করে গ্রাম-গঞ্জের নিরীহ মুসলিম নারী-পুরুষকে হত্যা করে গ্রামের পর গ্রাম জ্বালিয়ে দিতে দিতে ছুটে আসে শহরের দিকে। অতঃপর রাজধানী গ্রানাডা অবরোধ করে। এতক্ষণে টনক নড়ে মুসলিম সেনাবাহিনীর। তারা গা ঝাড়া দিয়ে উঠে। তাতে ভড়কে যায় সম্মিলিত কাপুরুষ খ্রীষ্টান বাহিনী। সম্মুখ যুদ্ধে নির্ঘাত পরাজয় বুঝতে পেরে তারা ভিন্ন পথ অবলম্বন করে। তারা আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দেয় শহরের বাইরের সকল শস্য খামার এবং বিশেষ করে শহরের খাদ্য সরবরাহের প্রধান উৎস ‘ভেগা’ উপত্যকা। ফলে অচিরেই দুর্ভিক্ষ নেমে আসে শহরে। খাদ্যাভাবে সেখানে হাহাকার দেখা দেয়। এই সুযোগে প্রতারক খ্রীষ্টান রাজা ফার্ডিন্যান্ড ঘোষণা করে, ‘মুসলমানেরা যদি শহরের প্রধান ফটক খুলে দেয় এবং নিরস্ত্র অবস্থায় মসজিদে আশ্রয় নেয়, তাহ’লে তাদেরকে বিনা রক্তপাতে মুক্তি দেয়া হবে। আর যারা খ্রীষ্টান জাহাজগুলোতে আশ্রয় নিবে, তাদেরকে অন্যান্য মুসলিম রাষ্ট্রে পাঠিয়ে দেয়া হবে। অন্যথা আমার হাতে তোমাদেরকে প্রাণ বিসর্জন দিতে হবে’।
দুর্ভিক্ষতাড়িত অসহায় নারী-পুরুষ ও মাছুম বাচ্চাদের কচি মুখের দিকে তাকিয়ে মুসলিম নেতৃবৃন্দ সেদিন খ্রীষ্টান নেতাদের আশ্বাসে বিশ্বাস করে শহরের প্রধান ফটক খুলে দেন ও সবাইকে নিয়ে আল্লাহ্র ঘর মসজিদে আশ্রয় নেন। কেউবা জাহাজগুলোতে আশ্রয় গ্রহণ করেন। কিন্তু শহরে ঢুকে খ্রীষ্টান বাহিনী নিরস্ত্র মুসলমানদেরকে মসজিদে আটকিয়ে বাহির থেকে প্রতিটি মসজিদে তালা লাগিয়ে দেয়। অতঃপর একযোগে সকল মসজিদে আগুন লাগিয়ে বর্বর উল্লাসে ফেটে পড়ে নরপশুরা। আর জাহাজগুলোকে মাঝ দরিয়ায় ডুবিয়ে দেয়া হয়। কেউ উইপোকার মত আগুনে পুড়ে ভস্ম হয়ে গেল, কারো হ’ল সলিল সমাধি। প্রজ্জ্বলিত অগ্নিশিখায় দগ্ধীভূত ৭ লক্ষাধিক অসহায় মুসলিম নারী-পুরুষ ও শিশুদের আর্তচিৎকারে গ্রানাডার আকাশ-বাতাস যখন ভারী ও শোকাতুর হয়ে উঠেছিল, তখন হিংস্রতার নগ্নমূর্তি ফার্ডিন্যান্ড আনন্দের আতিশয্যে স্ত্রী ইসাবেলাকে জড়িয়ে ধরে ক্রূর হাসি হেসে বলতে থাকে, Oh! Muslim! How fool you are! ‘হায় মুসলমান! তোমরা কত বোকা’।
যেদিন এই হৃদয় বিদারক, মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনা ঘটেছিল, সে দিনটি ছিল ১৪৯২ খ্রীষ্টাব্দের ১লা এপ্রিল। সেদিন থেকেই খ্রীষ্টান জগৎ প্রতি বছর ১লা এপ্রিল সাড়ম্বরে পালন করে আসছে April fools Day তথা ‘এপ্রিলের বোকা দিবস’ হিসাবে। মুসলমানদের বোকা বানানোর এই নিষ্ঠুর ধোঁকাবাজিকে স্মরণীয় করে রাখার উদ্দেশ্যে সমগ্র ইউরোপে প্রতিবছর ১লা এপ্রিল ‘এপ্রিল ফুল’ দিবস হিসাবে পালিত হয়।
পৃথিবীর ইতিহাসে ঠান্ডা মাথার এই নিষ্ঠুর প্রতারণা ও লোমহর্ষক নির্মম হত্যাকান্ডের আর কোন নযীর নেই। কিন্তু এত বড় ট্রাজেডীর পরেও আজ পর্যন্ত খ্রীষ্টান বিশ্ব কখনোই অপরাধ বোধ করেনি। বরং উল্টা তারা গত ১৯৯৩ সালের ১লা এপ্রিল তারিখে গ্রানাডা বিজয়ের পাঁচশ’ বর্ষপূর্তি উপলক্ষে স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদে খ্রীষ্টান সম্প্রদায়ের বিশ্ব নেতৃবৃন্দ আড়ম্বরপূর্ণ এক সভায় মিলিত হয়ে নতুন করে শপথ গ্রহণ করে একচ্ছত্র খ্রীষ্টীয় বিশ্ব প্রতিষ্ঠার। বিশ্বব্যাপী মুসলিম জাগরণ প্রতিহত করার জন্য গড়ে তোলে ‘হলি মেরী ফান্ড’। বিশ্বের বিভিন্ন খ্রীষ্টান রাষ্ট্র উক্ত ফান্ডে নিয়মিত চাঁদা জমা করে মুসলমানদের নিশ্চিহ্ন করার জন্য বিশ্বব্যাপী গড়ে তুলেছে অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক নেটওয়ার্ক। আজ এই জঘন্য উৎসব আমাদের মুসলমানদের জাতীয় জীবনেও প্রবেশ করেছে। প্রতি বছর ইংরেজী মাসের ১লা এপ্রিল ভোরে উঠেই একে অপরকে ধোঁকা দিয়ে বোকা বানানোর ন্যক্কারজনক কাজে শরীক হয়ে বেশ আনন্দ উপভোগ করে থাকে ছেলে থেকে শুরু করে বুড়ো পর্যন্ত অনেকে। লক্ষ্য করা যায়, গ্রামে-গঞ্জে-শহরে শিক্ষিত-অশিক্ষি
ত, স্বল্পশিক্ষিত এমনকি সর্বোচ্চ শিক্ষিত জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই একে অপরকে নানাভাবে বিভিন্ন কৌশলে বোকা বানিয়ে আনন্দ পায়। শ্রেণীকক্ষের টেবিল-চেয়ার উল্টিয়ে, কলমের নিব সরিয়ে ইত্যাদি বিবিধ কৌশলে শিক্ষকদের বোকা বানানো হয়। আর শিক্ষক কিংবা শিক্ষিকারাও একটু মুচকি হাসির মাধ্যমে খুব সহজেই তা বরণ করে নেন। এ দিনটিতে মানুষকে বোকা বানানোর জন্য প্রতারণা, ধোঁকাবাজি, ছলনা ও মিথ্যা বলার মাধ্যমে নিজেকে চালাক প্রমাণ করার মানসে একশ্রেণীর মানুষকে খুব তৎপর দেখা যায়। তারা ধোঁকার এই নাটক রচনা করে প্রচুর কৌতুকও উপভোগ করে থাকে। এই নিমর্ম কৌতুকের কারণে প্রত্যেক বছর কত যে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটছে, তার কোন ইয়ত্তা নেই।
১লা এপ্রিলের ঐতিহাসিক ঐ হৃদয়বিদারক ঘটনায় কার না মন শিউরে উঠে, কার না হৃদয় কেঁদে উঠে। কিন্তু মুসলমানদের মধ্যে কোন প্রতিক্রিয়া নেই, নেই কোন ভাবনা। ১লা এপ্রিলের ঘটনা স্মরণ করে মুসলমানরা সতর্ক হবে, শিক্ষা নিবে এমন কোন লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। বরং এর উল্টো প্রভাবই বিরাজ করছে। ১লা এপ্রিল অনেক মুসলিম অমুসলিমদের হাতে হাত মিলিয়ে বিজাতীয় আনন্দ-উল্লাসে মেতে উঠে। খ্রীষ্টান সংগঠন এ দিনে যখন বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে, তখন মুসলমানেরাও তাতে অংশ নেয়। মুসলিম সমাজের জন্য এর চেয়ে দুঃখ ও লজ্জার কারণ আর কি হ’তে পারে? মুসলমানরা কেন ‘এপ্রিল ফুল’ দিবস পালন করবে? তারা কি ইতিহাস জানে না? যদি ইতিহাস না জেনে পালন করা হয়, তাহ’লে বলতে হবে, আমরা আসলেই বোকা। কারণ না যেনে কেন একটা দিবস পালন করব? আর যদি ইতিহাস জেনেই পালন করা হয়, তাহ’লে এটাই প্রমাণিত হয় যে, আমাদের মত অনুভূতিহীন অসচেতন জাতি গোটা বিশ্বে দ্বিতীয়টি নেই।
Even when the culture of making such fool-proof culture is seen in the country's best-known universities, it is astonishingly shameful. Because the higher degree seeker educated society why the spheres will rattle? From these educators, what culture and culture will this country and nation receive? April 1st reminds us that our ancestors' 780 years of glorious Spain's history of Muslim civilization, the last of the 7 million Muslim brothers and sisters of deceit of Christians, and the tragic history of Muslim killings, and the tragic history of Muslim killings.
Today, the chaos of the history of the Jewish and Christian world is the victim of oppression of the Muslim nation and the Muslim world. The life of the Muslims, which has been repeatedly violent in their hearts, is taking place.
Thursday, March 29, 2018
ইমোর_চটকদার_প্রতারকদের_কাছ_থেকে_সাবধান
ইমোর মাধ্যমে অতি অল্প খরচে দেশে পরিবার, পরিজনদের সাথে অডিও ভিডিও কলে কথা বলা যায় সহজে। প্রিয়জন বাবা-মা,ভাই,বোন অথবা আদরের সন্তানের মুখ দেখতে কার না ভালো লাগে! ইমো তাই সব প্রবাসীর কাছেই অতি প্রিয়।
কিন্তু ইমো অনেক ভয়ংকর ক্ষতিকর দিকও ইদানীং প্রকাশ পাচ্ছে। ইচ্ছাকৃত বা অনিচ্ছাকৃত ভাবে হোক ইমোর মমাধ্যমে আমরা নিজরা নিজেদের অনেক সর্বনাশ ডেকে আনছি।
যেমন নতুন,পুরাতন প্রবাসী অনেকেই নানারকম অনৈতিক সম্পর্কে জড়িয়ে যায় ইমোর মাধ্যমে। অনেক বিবাহিত কুলাঙ্গারও পরকিয়াতে মজে যায় ইমোতে!
ইমোতে পরিচিত হওয়া কারো জন্য টাকা পাঠায় প্রবাসীরা। ইমোতে অবৈধ কার্যকলাপেরর লোভে, অনেকে মেয়েদের ফাঁদে পা দেয়।
আমরা কি জানি এই টাকা আমাদের কোন কাজে আসছে কিনা? এখন আমরা সবাই হয়তো একটা জিনিস জানি যে, এখন ফেসবুকে বা ইমোতে অনেক ভুয়া নাম ব্যবহার করে আমাদের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।
আবার এসব প্রতারণার ফাঁদে ফেলে অনেক প্রতারক ইমো হ্যাক করে। ব্যক্তিগত ছবি সংগ্রহ করে ব্ল্যাকমেইল করে। নানাভাবে অর্থকড়ি হাতিয়ে নেয়।
বিভিন্ন পেইজের পোষ্ট এর কমেন্টবক্সে, অনলাইনে বিভিন্ন পেইজ বা পোষ্টে দেখা যায় অনেক বাজে মেয়ে প্রবাসীদের কে টার্গেট করে তাদের দেহের বিজ্ঞাপন দিয়ে থাকে। জিভে পানি নিয়ে সেই বিজ্ঞাপনগুলোর পেছনে ছোটে নারীলোভিরা! তারা নানাভাবে অর্থ ব্যয় করে। প্রকৃতপক্ষে, তারা যে প্রতারণার ফাঁদে পা দিল, লোভের কারণে এটা বুঝেও বিঝতে চায় না।
আপনি কি নিশ্চিৎভাবে বলতে পারবেন, আপনি যার পেছছনে অর্থ এবং নিজের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সময় ব্যয় করছেন, সে তাদের একজন কিনা?
সে তাদের একজন হোক বা না হোক মাথায় রাখবেন যে মেয়ে বিভিন্ন বাহানা দেখিয়ে টাকা নিতে পারে, সে কোন ভালো মেয়ে হতে পারে না।
আপনার একটুও কি লজ্জা লাগেনা, মা-বাবা আপনাকে এত কষ্ট করে ধারদেনা ঋণের বোঝা নিয়ে বিদেশ পাঠিয়েছে, আর আপনি এখন একটা মেয়ে বা অন্য বাজে কাজে টাকা নষ্ট করছেন। আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজের বিবেককে প্রশ্ন করুন, কি করছেন আপনি!
আল্লাহ আমাদের মন পরিস্কার রেখে সৎভাবে জীবন যাপন করার তৌফিক দিন। আমিন।
Friday, March 23, 2018
mdkabir823: অনলাইনে বাংলাদেশ ভিসার আবেদন।
mdkabir823: অনলাইনে বাংলাদেশ ভিসার আবেদন।: তুমি কি চাও? বৈদ্যুতিন ভিসা অ্যাপ্লিকেশন ফরম নির্দেশাবলী পৃষ্ঠা স্বাগতম এই পৃষ্ঠায় পাওয়া ফর্মগুলি অন-লাইন পূরণ করা এবং আপনার অ্যাপ্লিক...
Thursday, March 22, 2018
অনলাইনে বাংলাদেশ ভিসার আবেদন।
তুমি কি চাও?
বৈদ্যুতিন ভিসা অ্যাপ্লিকেশন ফরম নির্দেশাবলী পৃষ্ঠা স্বাগতম এই পৃষ্ঠায় পাওয়া ফর্মগুলি অন-লাইন পূরণ করা এবং আপনার অ্যাপ্লিকেশনের প্রক্রিয়াকরণের সহায়তা করতে পারে।
• আপনি যদি ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার (উইন্ডোজ) ব্যবহার করছেন, তবে এই সাইটের সাথে কাজ করবে ন্যূনতম সংস্করণ সংস্করণ 9.0।
• আপনি যদি মোজিলা ফায়ারফক্স ব্যবহার করছেন, তাহলে এই সাইটের সাথে কাজ করবে এমন সর্বনিম্ন সংস্করণটি 3.5 সংস্করণ।
• সম্পূর্ণ অ্যাডভান্সড ফরম ডাউনলোড এবং মুদ্রণ করার জন্য আপনার পিসিতে অ্যাডোবি অ্যাক্রোব্যাট রিডার সংস্করণ 8.0 বা উচ্চতর ইনস্টল থাকা আবশ্যক। (যদি আপনার অ্যাডোবি অ্যাক্রোব্যাট রিডার না থাকে)
• পূর্ণ আবেদনপত্রটি প্রিন্ট করার জন্য আপনাকে একটি কালি-জেট বা লেজার প্রিন্টার ব্যবহার করতে হবে।
আপনি আবেদন করার আগে, আমাদের সমর্থিত দেশগুলি চেক করুন যেখানে আপনি যে দেশটি আবেদন করছেন সেটি অন লাইন অ্যাপ্লিকেশন গ্রহণ করে কিনা তা জানতে পারবেন।
বর্তমানে এই পরিষেবাটি নতুন ভিসা, ভিসা এক্সটেনশন, কোন ভিসা প্রয়োজনীয় (এনভিআর) এবং অনার্জ ভিসা (OAV) জন্য অ্যাপ্লিকেশন জমা দেওয়ার অনুমতি দেয়।
অনলাইন ফরমগুলি সম্পূর্ণ করার জন্য আপনাকে একটি ইমেল ঠিকানা প্রয়োজন হবে। এটি নিরাপত্তার কারণগুলির জন্য এবং এটি যাতে আমরা আপনার অনলাইন আবেদন সম্পর্কিত আপনার সাথে যোগাযোগ করতে পারি।
আমরা এই প্রক্রিয়াটির অংশ হিসাবে আপনার অনলাইন ভিসা আবেদন ফর্মটি প্রিন্ট করার জন্য আপনাকে অনুরোধ করব; তাই আপনি আপনার কম্পিউটার থেকে মুদ্রণ করার ক্ষমতা প্রয়োজন হবে।
আমরা আপনাকে নিম্নলিখিত তথ্য হাতে হাতে তুলে ধরার প্রস্তাবও দিচ্ছি:
• পাসপোর্ট
• JPEG ফরম্যাটে 45 মিমি x 35 মিমি ডিজিটাল ছবি; সর্বাধিক আকার 300kb (ছবিটি ঐচ্ছিক)।
• বাংলাদেশের ঠিকানা
• ইমেল ঠিকানা
আপনি যে কোনও পৃষ্ঠাতে আপনার ভিসা আবেদনটি সংরক্ষণ করতে পারেন যেখানে আপনি এই ছবিটি দেখতে পাবেন
অনলাইন আবেদন প্রক্রিয়ার জন্য ব্যবহারকারীর প্রয়োজন:
ধাপ 1: অনলাইন ভিসা আবেদন ফরম পূরণ করুন এবং জমা দিন
ধাপ ২: সম্পন্ন ফর্মটি মুদ্রণ করুন
পদক্ষেপ 3: প্রয়োজনীয় নথিপত্রের সাথে প্রিন্টেড ফর্মটি নিন, নিকটবর্তী ভিসা অফিস / ভিসা অফিসে বাংলাদেশ ভিসা ফি নথিভুক্ত করুন।
বর্তমান ভিসা ফি এখানে পাওয়া যায়
আমাদের তথ্য সুরক্ষার এবং কপিরাইট বাধ্যবাধকতাগুলির বিশদ বিবরণের জন্য, দয়া করে আমাদের শর্তাবলী এবং গোপনীয়তা নীতি পড়ুন দয়া করে নিশ্চিত করুন যে আপনি এইগুলি এবং সমস্ত প্রাসঙ্গিক নির্দেশিকা নোটগুলি পড়েছেন এবং নীচের চেকবক্সটি টিক করে এই নিশ্চিত করুন।
আপনার আবেদনটি প্রত্যাখ্যান করা হতে পারে এবং আপনি যদি কোনও মিথ্যা দস্তাবেজ ব্যবহার করেন, মিথ্যা তথ্য বা প্রাসঙ্গিক তথ্য আটকান তাহলে আপনাকে কয়েক বছর ধরে বাংলাদেশে আসার জন্য নিষিদ্ধ করা হতে পারে। বাংলাদেশে অভিবাসন আইন লঙ্ঘন করলে আপনিও নিষিদ্ধ হতে পারেন। বাংলাদেশে "নতুন" যাত্রীবাহী যারা নিজের জন্য এবং / অথবা তাদের সন্তানদের জন্য একটি অবৈধ ভ্রমণ ডকুমেন্ট বা বাংলাদেশ অভিবাসন কর্তৃপক্ষের কাছে পাসপোর্ট প্রদান করে একটি অপরাধ করে থাকেন। এই অপরাধে দোষী ব্যক্তিরা দুই বছরের কারাদণ্ড বা জরিমানা (অথবা উভয়) পর্যন্ত দোষী।
আমি উপরের তথ্য এবং প্রাসঙ্গিক নির্দেশিকা নোটগুলি পড়েছি
বৈদ্যুতিন ভিসা অ্যাপ্লিকেশন ফরম নির্দেশাবলী পৃষ্ঠা স্বাগতম এই পৃষ্ঠায় পাওয়া ফর্মগুলি অন-লাইন পূরণ করা এবং আপনার অ্যাপ্লিকেশনের প্রক্রিয়াকরণের সহায়তা করতে পারে।
• আপনি যদি ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার (উইন্ডোজ) ব্যবহার করছেন, তবে এই সাইটের সাথে কাজ করবে ন্যূনতম সংস্করণ সংস্করণ 9.0।
• আপনি যদি মোজিলা ফায়ারফক্স ব্যবহার করছেন, তাহলে এই সাইটের সাথে কাজ করবে এমন সর্বনিম্ন সংস্করণটি 3.5 সংস্করণ।
• সম্পূর্ণ অ্যাডভান্সড ফরম ডাউনলোড এবং মুদ্রণ করার জন্য আপনার পিসিতে অ্যাডোবি অ্যাক্রোব্যাট রিডার সংস্করণ 8.0 বা উচ্চতর ইনস্টল থাকা আবশ্যক। (যদি আপনার অ্যাডোবি অ্যাক্রোব্যাট রিডার না থাকে)
• পূর্ণ আবেদনপত্রটি প্রিন্ট করার জন্য আপনাকে একটি কালি-জেট বা লেজার প্রিন্টার ব্যবহার করতে হবে।
আপনি আবেদন করার আগে, আমাদের সমর্থিত দেশগুলি চেক করুন যেখানে আপনি যে দেশটি আবেদন করছেন সেটি অন লাইন অ্যাপ্লিকেশন গ্রহণ করে কিনা তা জানতে পারবেন।
বর্তমানে এই পরিষেবাটি নতুন ভিসা, ভিসা এক্সটেনশন, কোন ভিসা প্রয়োজনীয় (এনভিআর) এবং অনার্জ ভিসা (OAV) জন্য অ্যাপ্লিকেশন জমা দেওয়ার অনুমতি দেয়।
অনলাইন ফরমগুলি সম্পূর্ণ করার জন্য আপনাকে একটি ইমেল ঠিকানা প্রয়োজন হবে। এটি নিরাপত্তার কারণগুলির জন্য এবং এটি যাতে আমরা আপনার অনলাইন আবেদন সম্পর্কিত আপনার সাথে যোগাযোগ করতে পারি।
আমরা এই প্রক্রিয়াটির অংশ হিসাবে আপনার অনলাইন ভিসা আবেদন ফর্মটি প্রিন্ট করার জন্য আপনাকে অনুরোধ করব; তাই আপনি আপনার কম্পিউটার থেকে মুদ্রণ করার ক্ষমতা প্রয়োজন হবে।
আমরা আপনাকে নিম্নলিখিত তথ্য হাতে হাতে তুলে ধরার প্রস্তাবও দিচ্ছি:
• পাসপোর্ট
• JPEG ফরম্যাটে 45 মিমি x 35 মিমি ডিজিটাল ছবি; সর্বাধিক আকার 300kb (ছবিটি ঐচ্ছিক)।
• বাংলাদেশের ঠিকানা
• ইমেল ঠিকানা
আপনি যে কোনও পৃষ্ঠাতে আপনার ভিসা আবেদনটি সংরক্ষণ করতে পারেন যেখানে আপনি এই ছবিটি দেখতে পাবেন
অনলাইন আবেদন প্রক্রিয়ার জন্য ব্যবহারকারীর প্রয়োজন:
ধাপ 1: অনলাইন ভিসা আবেদন ফরম পূরণ করুন এবং জমা দিন
ধাপ ২: সম্পন্ন ফর্মটি মুদ্রণ করুন
পদক্ষেপ 3: প্রয়োজনীয় নথিপত্রের সাথে প্রিন্টেড ফর্মটি নিন, নিকটবর্তী ভিসা অফিস / ভিসা অফিসে বাংলাদেশ ভিসা ফি নথিভুক্ত করুন।
বর্তমান ভিসা ফি এখানে পাওয়া যায়
আমাদের তথ্য সুরক্ষার এবং কপিরাইট বাধ্যবাধকতাগুলির বিশদ বিবরণের জন্য, দয়া করে আমাদের শর্তাবলী এবং গোপনীয়তা নীতি পড়ুন দয়া করে নিশ্চিত করুন যে আপনি এইগুলি এবং সমস্ত প্রাসঙ্গিক নির্দেশিকা নোটগুলি পড়েছেন এবং নীচের চেকবক্সটি টিক করে এই নিশ্চিত করুন।
আপনার আবেদনটি প্রত্যাখ্যান করা হতে পারে এবং আপনি যদি কোনও মিথ্যা দস্তাবেজ ব্যবহার করেন, মিথ্যা তথ্য বা প্রাসঙ্গিক তথ্য আটকান তাহলে আপনাকে কয়েক বছর ধরে বাংলাদেশে আসার জন্য নিষিদ্ধ করা হতে পারে। বাংলাদেশে অভিবাসন আইন লঙ্ঘন করলে আপনিও নিষিদ্ধ হতে পারেন। বাংলাদেশে "নতুন" যাত্রীবাহী যারা নিজের জন্য এবং / অথবা তাদের সন্তানদের জন্য একটি অবৈধ ভ্রমণ ডকুমেন্ট বা বাংলাদেশ অভিবাসন কর্তৃপক্ষের কাছে পাসপোর্ট প্রদান করে একটি অপরাধ করে থাকেন। এই অপরাধে দোষী ব্যক্তিরা দুই বছরের কারাদণ্ড বা জরিমানা (অথবা উভয়) পর্যন্ত দোষী।
আমি উপরের তথ্য এবং প্রাসঙ্গিক নির্দেশিকা নোটগুলি পড়েছি
Friday, March 16, 2018
Thursday, March 8, 2018
mdkabir823: আব্দুল্লাহ
mdkabir823: আব্দুল্লাহ: ইব্রাহীম বিন মোঃ কবির,(আব্দুল্লাহ) জন্ম ১১এপ্রিল ২০১৫ রোজ বুধবার। পিতা :মোঃ কবির হোসেন। গ্রাম :ইউ, এন,সি নগর, পোস্ট :মতিনগর, থা...
Saturday, March 3, 2018
ত্রিপুরা বিধানসভা নির্বাচন-২০১৮
ত্রিপুরা বিধানসভা নির্বাচন-২০১৮
================
১)সীমনা:-বিজেপি(বিশ্বকেতু দেব্বর্মা-১৫৯৭৭)।
২)মোহনপুর:-বিজেপি(রতনলাল নাথ-২২৫১৬)।
৩)বামুটিয়া:-বিজেপি(কৃষ্ণধন দাস-২০০১৪)।
৪)বড়জলা:- বিজেপি(দিলীপ কুমার দাস -২২০৫২)
৫)খয়েরপুর:- বিজেপি(রতন চক্রবর্তী -২৫৪৯৬)
৬)আগরতলা:-বিজেপি (সুদীপ রায় বর্মণ-২৫২৩৪)
৭)রামনগর:- বিজেপি(সুরজিত দত্ত -২১০৯২)
৮)টাউন বরদোয়ালী:-বিজেপি (আসিস কুমার সাহা -২৪২৯৩)
৯)বনমালীপুর:-বিজেপি (বিপ্লব কুমার দেব-২১৭৫৫)
১০)মজলিশপুর:-বিজেপি ( সুশান্ত চৌধুরী -২৩২৪৯)
১১)মান্দাই:-আই.পি.এফ.টি (ধীরেন্দ্র দেব্বর্মা-২১৩৮১)
১২)টাকারজলা:-আই.পি.এফ.টি (নরেন্দ্রচন্দ্র দেব্বর্মা-২২০৫৬)
১৩)প্রতাপগড়:-বিজেপি (রেবতীমোহন দাস-২৫৮৩৪)
১৪)বাঁধারঘাট:-বিজেপি (দীলিপ সরকার-২৮৫৬১)
১৫)কমলাসাগর:-সি.পি.আই.এম (নারায়ণ চৌধুরী-১৮৮৪৭)
১৬)বিশালগড়:-সি.পি.আই.এম (ভানুলাল সাহা-২১২৫৪)
১৭)গোলাঘাটি:-বিজেপি (বীরেন্দ্রকিশোর দেব্বর্মা-১৯২২৮)
১৮)সূর্য্যমণিনগর:-বিজেপি (রামপ্রসাদ পাল-২৪৮৭৪)
১৯)চড়িলাম:-নির্বাচন স্থগিত
২০)বক্সনগর:-সি.পি.আই.এম (শহীদ চৌধুরী-১৯৮৬২)
২১)নলছড়:-বিজেপি (শুভাশিস চন্দ্র দাস-১৯৮৬২)
২২)সোনামুড়া:-সিপিআইএম (শ্যামল চক্রবর্তী -14578)
২৩)ধনপুর:-সিপিআইএম (মানিক সরকার -১৪০২৭)
২৪)রামচন্দ্রঘাট:-আই.পি.এফ.টি (প্রশান্ত দেব্বর্মা-১৯৪৩৯)
২৫)খোয়াই:-সি.পি.আই.এম (নির্মল বিশ্বাস-২০৬২৯)
২৬)আশারামবাড়ি:-আই.পি.এফ.টি (মেবারকুমার জমাতিয়া-১৯১৮৮)
২৭)কল্যাণপুর-প্রমোদনগর:-বিজেপি (পিণাকীদাস চৌধুরী-২০২৯৩)
২৮)তেলিয়ামুড়া:- বিজেপি (কল্যাণী রায় -২২৪১৪)
২৯)কৃষ্ণপুর:- বিজেপি (অতুল দেব্বর্মা-১৬৭৩০)
৩০)বাগমা:-বিজেপি (রামপদ জমাতিয়া-২৪০৭৪)
৩১)রাধাকিশোরপুর:-বিজেপি ( প্রসেনজিৎ সিংহ রায় -২২৪১৪)
৩২)মাতাবাড়ি:- বিজেপি (বিপ্লব কুমার ঘোষ -২৩০৬৯)
৩৩)শালগড়া:-সি.পি.আই.এম (রতন কুমার ভৌমিক-২৪৮৩৫)
৩৪)রাজনগর:-সি.পি.আই.এম (সুধন দাস-২২০০৪)
৩৫)বিলোনিয়া:-বিজেপি (অরুণচন্দ্র ভৌমিক-১৯৩০৭)
৩৬)শান্তিরবাজার:-বিজেপি (প্রমোদ রিয়াং-২১৭০১)
৩৭)ঋষ্যমুখ:-সি.পি.আই.এম (বাদল চৌধুরী-২২৬৭৩)
৩৮)জোলাইবাড়ি:-সি.পি.আই.এম (যশোবীর ত্রিপুরা-২১১৬০)
৩৯)মনু:-সি.পি.আই.এম ( প্রভাত চৌধুরী -১৯৪৩২)
৪০)সাব্রুম:-বিজেপি (শঙ্কর রায়-২১০৫৯)
৪১)অম্পিনগর:-আই.পি.এফ.টি ( সিন্ধু চন্দ্র জমাতিয়া -১৮২০২)
৪২)অমরপুর:-বিজেপি (রনজিৎ দাস -১৬৫৫৫)
৪৩)করবুক:-বিজেপি (বুর্বমোহন ত্রিপুরা-১৫৬২২)
৪৪)রাইমাভ্যলী:-আই.পি.এফ.টি (ধনঞ্জয় ত্রিপুরা-১৮৬৭৩)
৪৫)কমলপুর:-বিজেপি (মনোজ কান্তি দেব-২০১৬৫)
৪৬)সুরমা:-বিজেপি (আশিস দাস-২০৭৬৭)
৪৭)আমবাসা:-বিজেপি (পরিমল দেব্বর্মা-২০৮৪২)
৪৮)করমছড়া:- বিজেপি (দিবাচন্দ্র রাঙখল-১৯৩৯৭)
৪৯)ছামনু:-বিজেপি (শম্ভুলাল চাকমা-১৮২৯০)
৫০)পাবিয়াছড়া:-বিজেপি (ভগবান দাস-২২৮১৫)
৫১)ফটিকরায়:-বিজেপি (সুধাংশু দাস-১৯৫১২)
৫২)চন্ডীপুর:-সি.পি.আই.এম (তপন চক্রবর্তী-১৮৫৪৫)
৫৩)কৈলাশহর:-সি.পি.আই.এম (মোবস্বর আলী-১৮০৯৩)
৫৪)কদমতলা-কুর্তি:-সি.পি.আই.এম (ইসলাম উদ্দিন-২০৭২১)
৫৫)বাগবাসা:-সি.পি.আই.এম (বিজিতা নাথ-১৭৪৩৬)
৫৬)ধর্মনগর:-বিজেপি (বিশ্ববন্ধু সেন-২১৩৫৭)
৫৭)যুবরাগনগর:- সি.পি.আই.এম ( রামেন্দ্র চন্দ্র দেবনাথ -১৭৪৮০)
৫৮)পানিসাগর:-বিজেপি (বিনয়বিষ্ণু দাস-১৫৮৯২)
৫৯)পেঁচারথল:-বিজেপি (শান্তনা চাকমা-১৭৭৪৩)
৬০)কাঞ্চনপুর:-আই.পি.এফ.টি (প্রেমকুমার রিয়াং-১৯৪৪৮)
================
১)সীমনা:-বিজেপি(বিশ্বকেতু দেব্বর্মা-১৫৯৭৭)।
২)মোহনপুর:-বিজেপি(রতনলাল নাথ-২২৫১৬)।
৩)বামুটিয়া:-বিজেপি(কৃষ্ণধন দাস-২০০১৪)।
৪)বড়জলা:- বিজেপি(দিলীপ কুমার দাস -২২০৫২)
৫)খয়েরপুর:- বিজেপি(রতন চক্রবর্তী -২৫৪৯৬)
৬)আগরতলা:-বিজেপি (সুদীপ রায় বর্মণ-২৫২৩৪)
৭)রামনগর:- বিজেপি(সুরজিত দত্ত -২১০৯২)
৮)টাউন বরদোয়ালী:-বিজেপি (আসিস কুমার সাহা -২৪২৯৩)
৯)বনমালীপুর:-বিজেপি (বিপ্লব কুমার দেব-২১৭৫৫)
১০)মজলিশপুর:-বিজেপি ( সুশান্ত চৌধুরী -২৩২৪৯)
১১)মান্দাই:-আই.পি.এফ.টি (ধীরেন্দ্র দেব্বর্মা-২১৩৮১)
১২)টাকারজলা:-আই.পি.এফ.টি (নরেন্দ্রচন্দ্র দেব্বর্মা-২২০৫৬)
১৩)প্রতাপগড়:-বিজেপি (রেবতীমোহন দাস-২৫৮৩৪)
১৪)বাঁধারঘাট:-বিজেপি (দীলিপ সরকার-২৮৫৬১)
১৫)কমলাসাগর:-সি.পি.আই.এম (নারায়ণ চৌধুরী-১৮৮৪৭)
১৬)বিশালগড়:-সি.পি.আই.এম (ভানুলাল সাহা-২১২৫৪)
১৭)গোলাঘাটি:-বিজেপি (বীরেন্দ্রকিশোর দেব্বর্মা-১৯২২৮)
১৮)সূর্য্যমণিনগর:-বিজেপি (রামপ্রসাদ পাল-২৪৮৭৪)
১৯)চড়িলাম:-নির্বাচন স্থগিত
২০)বক্সনগর:-সি.পি.আই.এম (শহীদ চৌধুরী-১৯৮৬২)
২১)নলছড়:-বিজেপি (শুভাশিস চন্দ্র দাস-১৯৮৬২)
২২)সোনামুড়া:-সিপিআইএম (শ্যামল চক্রবর্তী -14578)
২৩)ধনপুর:-সিপিআইএম (মানিক সরকার -১৪০২৭)
২৪)রামচন্দ্রঘাট:-আই.পি.এফ.টি (প্রশান্ত দেব্বর্মা-১৯৪৩৯)
২৫)খোয়াই:-সি.পি.আই.এম (নির্মল বিশ্বাস-২০৬২৯)
২৬)আশারামবাড়ি:-আই.পি.এফ.টি (মেবারকুমার জমাতিয়া-১৯১৮৮)
২৭)কল্যাণপুর-প্রমোদনগর:-বিজেপি (পিণাকীদাস চৌধুরী-২০২৯৩)
২৮)তেলিয়ামুড়া:- বিজেপি (কল্যাণী রায় -২২৪১৪)
২৯)কৃষ্ণপুর:- বিজেপি (অতুল দেব্বর্মা-১৬৭৩০)
৩০)বাগমা:-বিজেপি (রামপদ জমাতিয়া-২৪০৭৪)
৩১)রাধাকিশোরপুর:-বিজেপি ( প্রসেনজিৎ সিংহ রায় -২২৪১৪)
৩২)মাতাবাড়ি:- বিজেপি (বিপ্লব কুমার ঘোষ -২৩০৬৯)
৩৩)শালগড়া:-সি.পি.আই.এম (রতন কুমার ভৌমিক-২৪৮৩৫)
৩৪)রাজনগর:-সি.পি.আই.এম (সুধন দাস-২২০০৪)
৩৫)বিলোনিয়া:-বিজেপি (অরুণচন্দ্র ভৌমিক-১৯৩০৭)
৩৬)শান্তিরবাজার:-বিজেপি (প্রমোদ রিয়াং-২১৭০১)
৩৭)ঋষ্যমুখ:-সি.পি.আই.এম (বাদল চৌধুরী-২২৬৭৩)
৩৮)জোলাইবাড়ি:-সি.পি.আই.এম (যশোবীর ত্রিপুরা-২১১৬০)
৩৯)মনু:-সি.পি.আই.এম ( প্রভাত চৌধুরী -১৯৪৩২)
৪০)সাব্রুম:-বিজেপি (শঙ্কর রায়-২১০৫৯)
৪১)অম্পিনগর:-আই.পি.এফ.টি ( সিন্ধু চন্দ্র জমাতিয়া -১৮২০২)
৪২)অমরপুর:-বিজেপি (রনজিৎ দাস -১৬৫৫৫)
৪৩)করবুক:-বিজেপি (বুর্বমোহন ত্রিপুরা-১৫৬২২)
৪৪)রাইমাভ্যলী:-আই.পি.এফ.টি (ধনঞ্জয় ত্রিপুরা-১৮৬৭৩)
৪৫)কমলপুর:-বিজেপি (মনোজ কান্তি দেব-২০১৬৫)
৪৬)সুরমা:-বিজেপি (আশিস দাস-২০৭৬৭)
৪৭)আমবাসা:-বিজেপি (পরিমল দেব্বর্মা-২০৮৪২)
৪৮)করমছড়া:- বিজেপি (দিবাচন্দ্র রাঙখল-১৯৩৯৭)
৪৯)ছামনু:-বিজেপি (শম্ভুলাল চাকমা-১৮২৯০)
৫০)পাবিয়াছড়া:-বিজেপি (ভগবান দাস-২২৮১৫)
৫১)ফটিকরায়:-বিজেপি (সুধাংশু দাস-১৯৫১২)
৫২)চন্ডীপুর:-সি.পি.আই.এম (তপন চক্রবর্তী-১৮৫৪৫)
৫৩)কৈলাশহর:-সি.পি.আই.এম (মোবস্বর আলী-১৮০৯৩)
৫৪)কদমতলা-কুর্তি:-সি.পি.আই.এম (ইসলাম উদ্দিন-২০৭২১)
৫৫)বাগবাসা:-সি.পি.আই.এম (বিজিতা নাথ-১৭৪৩৬)
৫৬)ধর্মনগর:-বিজেপি (বিশ্ববন্ধু সেন-২১৩৫৭)
৫৭)যুবরাগনগর:- সি.পি.আই.এম ( রামেন্দ্র চন্দ্র দেবনাথ -১৭৪৮০)
৫৮)পানিসাগর:-বিজেপি (বিনয়বিষ্ণু দাস-১৫৮৯২)
৫৯)পেঁচারথল:-বিজেপি (শান্তনা চাকমা-১৭৭৪৩)
৬০)কাঞ্চনপুর:-আই.পি.এফ.টি (প্রেমকুমার রিয়াং-১৯৪৪৮)
Thursday, December 7, 2017
বাবরি মসজিদ বনাম রাম মন্দির,
🌷বাবরি মসজিদ বনাম রাম মন্দির🌷
![]() |
| 🌷 |
ভারতের ইতিহাসে একটি রক্তাক্ত নাম বাবরি মসিজদ। দেশটির উত্তরপ্রদেশের ফৈজাবাদে ১৫২৮-২৯ সালে মুঘল সম্রাট বাবরের নির্দেশে মসজিদটি তৈরি করেন মীর বাকী। বাবরের নামেই মসজিদটির নামকরণ করা হয় বাবরি মসজিদ। ভারতীয় হিন্দুদের একটি অংশ মনে করে, ওই জায়গাটি হচ্ছে তাদের দেবতা রামের জন্মভূমি। তাদের ধারণা, যেখানে মসজিদ গড়ে তোলা হয়েছে, সেখানে আগে রাম মন্দির ছিল। এ নিয়ে প্রথমে ধর্মীয় বিতর্ক শুরু হলেও পরে তা রাজনৈতিক রূপ পায়।
১৯৯২ সালের ৬ ডিসেম্বর বাবরি মসজিদ ধ্বংস করে দেয় মৌলবাদী হিন্দুরা। এ নিয়ে ভারতে শুরু হয় সম্প্রদায়িক দাঙ্গা। এতে নিহত হয় অন্তত ২ হাজার। ভারতের ইতিহাসে এটাই সবচেয়ে বড় সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা। বাবরি মসজিদ ধ্বংসের মূল হোতাদের বিরুদ্ধে হয়েছে মামলা। সেই মামলা নিয়েও হয়েছে বিতর্ক।
সর্বপ্রথম ১৮৫৩ সালে বাবরি মসজিদ নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়। নবাব ওয়াজেদ আলি শাহর সময় প্রথমবারের মতো হিন্দুদের একটি অংশ দাবি তোলে, সম্রাট বাবরের সময়ে উত্তরপ্রদেশে রামমন্দির ধ্বংস করে মসজিদ তৈরি করা হয়েছে। সেই থেকে শুরু। পরে ১৮৫৯ সালে ব্রিটিশরা ভারত শাসনের সময় হিন্দু-মুসলিম দ্বন্দ্বের কারণ ওই জায়গাকে দুই ভাগে ভাগ করে দেয়। একভাগ হিন্দুদের, অন্যভাগ মুসলিমদের দেয়া হয়। এ নিয়ে ১৮৮৫ সালে প্রথম মামলা করেন মহন্ত রঘুবীর দাস নামের একজন। মামলায় মসজিদের বাইরে হিন্দুদের জন্য একটি শামিয়ানা খাটানো ও মঞ্চ তৈরির কথা বলা হয়। তবে সেই মামলা খারিজ করে দেয় ফৈজাবাদ জেলা আদালত।
১৯৪৯ সালে হিন্দু দেবতা রামচন্দ্রের একটি মূর্তি পাওয়া যায় মসজিদের ভেতর। ওই মূর্তি হিন্দুরা গোপনে মসজিদে রেখে এসেছে বলে অভিযোগ করে মুসলিমরা। দুই পক্ষই মসজিদের জায়গা দাবি করতে থাকে। এক পর্যায়ে ওই জায়গা বিতর্কিত ঘোষণা করে তালা ঝুলিয়ে দেয় সরকার।
১৯৫০ সালে গোপাল সিং বিশারদ ও মহন্ত পরমহংস রামচন্দ্র দাস নামের দুইজন ওই স্থানে প্রার্থনা করার জন্য আবারও ফৈজাবাদ আদালতে আবেদন করে। ফলে জায়গাটি খুলে দেয়া হয়। জায়গাটি রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব হিন্দুদের দেয়ার জন্য ১৯৫৯ সালে আদালতে আবেদন করে তারা। ১৯৬১ সালে ওয়াকফের সুন্নি সেন্ট্রাল বোর্ড মসজিদে হিন্দু দেবতার মূর্তি স্থাপনের বিরুদ্ধে আবেদন করে।
১৯৮৪ সালে মসজিদের জায়গায় রাম মন্দির গড়তে একটি কমিটি করে হিন্দুরা। তাদের সেই মৌলবাদী আন্দোলনই এক পর্যায়ে ছড়িয়ে পড়তে থাকে। মঞ্চে আসে ভারতের হিন্দুত্ববাদী দল ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। দলটির নেতা লালকৃষ্ণ আদভানির নেতৃত্বে শুরু হয় এই আন্দোলন।
১৯৮৬ সাল হরি শঙ্কর দুব নামের এক হিন্দুর আবেদনের ভিত্তিতে জেলা আদালত নির্দেশ দেয় মসজিদের গেট খুলে দেয়ার এবং সেখানে হিন্দুরা প্রার্থনা করার। এর প্রতিবাদ জানায় মুসলিমরা। তারা গঠন করে ‘বাবরি মসজিদ অ্যাকশন কমিটি’। ১৯৮৯ সালে ভারতের আরেক মৌলবাদী সংগঠন ‘বিশ্ব হিন্দু পরিষদ’ (ভিএইচপি) বাবরি মসজিদের জায়গায় রাম মন্দিরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে। সংগঠনটির সাবেক সহ-সভাপতি বিচারপতি দেবকী নন্দন আগরওয়াল বাবরি মসজিদ অন্যত্র সরিয়ে নেয়ার আবেদন করেন আদালতে। এতে সবগুলো আবেদনই হাইকোর্টে স্থানান্তর করা হয়।
বাবরি মসজিদ হামলা
১৯৯০ সালে ভিএইচপি নেতৃত্বাধীন হিন্দু মৌলবাদীরা মসজিদ ধ্বংসের চেষ্টা করে। তখন ভারতের প্রধানমন্ত্রী চন্দ্রশেখরের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয়। ওই বছরের সেপ্টেম্বরে লালকৃষ্ণ আদভঅনি গুজরাট রাজ্যের সোমনাথ থেকে অযোধ্যা পর্যন্ত এক বিতর্কিত রথযাত্রা করে রাম মন্দিরের গুরুত্ব বোঝানোর চেষ্টা করেন।
এদিকে ১৯৯১ সালে ভারতের প্রধান বিরোধী দলে হয়ে ওঠে হিন্দুত্ববাদী বিজেপি। উত্তরপ্রদেশে ক্ষমতায়ও আসে তারা। তারা মন্দির আন্দোলনকে আরও এগিয়ে নেন। ১৯৯২ সালের ৬ ডিসেম্বর বাবরি মসজিদ ভেঙে দেয় চরমপন্থি হিন্দুরা। তাদের এই কাজে সমর্থন দেয় শিবসেনা, বিশ্ব হিন্দু পরিষদ ও বিজেপি। ওই ঘটনায় ভারতজুড়ে শুরু হয় ভয়াবহ সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা। এতে প্রাণ হারায় ২ হাজার মানুষ। ঘটনা তদন্তে ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী নরসীমা রাও সরকার বিচারপতি এমএস লিবারহানের নেতৃত্বে একটি কমিটি করে।
২০০১ সালে মসজিদ ধ্বংসের দশ বছর পূর্তিতে আতঙ্ক সৃষ্টি হয় ভারতে। বিশ্ব হিন্দু পরিষদ আবারও দাবি করে, অযোধ্যার ওই জমিতে রাম মন্দির তারা তৈরি করবেই। ২০০২ সালের ফেব্রুয়ারিতে গুজরাটের আবারও হয় দাঙ্গা। নিহত হয় ১ হাজার জন। ওই বছরই গুজরাটের হাইকোর্ট আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়াকে পরীক্ষা করতে নির্দেশ দেয়, মসজিদের নিচে কোনও মন্দির আছে কিনা।
২০০৩ সালে জরিপ শুরু করে তারা। প্রতিবেদনে বলা হয়, মসজিদের নিচে একটি মন্দিরের অস্তিত্ব আছে। তবে ওই প্রতিবেদন মানতে অস্বীকার করে মুসলিমরা। ওই বছরের সেপ্টেম্বর মাসে সাত হিন্দু নেতার বিরুদ্ধে বাবরি মসজিদ ধ্বংস মামলায় বিচারের কথা বলা হয়। তবে উপ-প্রধানমন্ত্রী থাকায় লালকৃষ্ণ আদভানির বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ আনা যায়নি।
২০০৪ সাল উত্তরপ্রদেশে ক্ষমতায় আসে কংগ্রেস। আদালত রায় দেয়, মামলায় আদভানির নামও রাখতে হবে। ২০০৯ সাল বাবরি মসজিদ ধ্বংসের পর তৈরি লিবারহান কমিশন জুন মাসে রিপোর্ট পেশ করে। রিপোর্টে ঘটনার জন্য বিজেপি নেতাদের দায়ী করা হয়। এ নিয়ে ভারতের সংসদে হাঙ্গামা হয়।
২০১০ সালে এলাহাবাদ হাইকোর্ট বিতর্কিত এই মামলায় রায় দেয়। বলা হয়, জমিকে তিন ভাগে ভাগ করতে হবে। এক অংশ পাবে হিন্দু মহাসভা, এক অংশ পাবে মুসলমি ওয়াকফ বোর্ড এবং তৃতীয় অংশ যাবে নির্মোহী আখাড়ায়। রায়ের বিরুদ্ধে অখিল ভারতীয় হিন্দু মহাসভা ও সুন্নি ওয়াকফ বোর্ড সুপ্রিমকোর্টে আপিল করে। ২০১১ সালে রায়ে স্থগিতাদেশ দেয় ভারতের সর্বোচ্চ আদালত।
২০১৪ সালে ভারত ক্ষমতায় আসে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকার। এ সময় থেকে আবার মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে হিন্দুত্ববাদ। ভিএইচপি ঘোষণা করে, সারা দেশ থেকে পাথর সংগ্রহ করে রাম মন্দির তৈরি করা হবে। এতে বিজেপি সরকারের সমর্থন আছে বলেও জানায় তারা। কয়েক মাস পরে ২ লরি পাথর বাবরি মসজিদের জমিতে নিয়ে যাওয়া হয়। এতে বাধা দেয় তৎকালীন উত্তরপ্রদেশে ক্ষমতায় থাকা অখিলেশ যাদব সরকার। এভাবে রাম মন্দির তৈরি করা যাবে না বলে তারা জানায়।
২০১৭ সালে বাবরি মসজিদ ধ্বংসে লালকৃষ্ণ আদভানি ও অন্য হিন্দু নেতাদের নামে চার্জ সরানো যাবে না বলে জানায় ভারতের সুপ্রিমকোর্ট। এ ধরনের সংবেদনশীল মামলা আদালতের বাইরে মেটানোরও পরামর্শ দেয় তারা। ৩০ মে লালকৃষ্ণ আদভাণীসহ বিজেপির অন্য শীর্ষ নেতাদের আগাম জামিন মঞ্জুর করে দেশটির তদন্ত সংস্থা সিবিআই’র বিশেষ আদালত। লখনউতে সিবিআইর ওই আদালত আদভাণী, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী উমা ভারতী, মুরলী মনোহরসহ মোট ১২ নেতাকে জামিন দেয়।
বারো অভিযুক্ত নেতাকেই পঞ্চাশ হাজার টাকার ব্যক্তিগত বন্ডে জামিন দেন বিচারক। অভিযুক্তরা অবশ্য তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করে মামলা থেকে অব্যাহতি চেয়েছেন। তবে সে বিষয়ে এখনো কোনো রায় দেয়নি আদালত। অভিযুক্ত বিজেপি নেতাদের অব্যাহতির আবেদন আদালত মেনে না নিলে তাদের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করে শুনানি শুরু হবে।
মামলা অভিযুক্ত বিজেপির শীর্ষ ৩ নেতা: উমা ভারতী, আদভানী ও মুরলি মনোহর
মামলায় অভিযুক্ত অন্য বিজেপি নেতারা হচ্ছেন: বিনয় কাটিয়ার, বিষ্ণুহরি ডালমিয়া, সতীশ প্রধান, সিআর বনশাল, সাধ্বী রীতম্ভরা, আরভি বেদান্তি, জগদীশ মুনি মহারাজ, বিএল শর্মা, নিত্যগোপাল দাস, ধর্ম দাস ও সতীশ নাগার।
Tuesday, September 19, 2017
১০ই মহরম সৃতিময় হয়ে থাকবে আজিবন"
"১০ই মহরম সৃতিময় হয়ে থাকবে আজিবন"
-------------------------------- কারবালার মাঠে একে-একে যখন সবাই শাহাদাত বরন করছেন এবং হজরত ইমাম হোসাইন(আ.) যখন কেবল একা দাড়িয়ে ছিলেন, তখন তার শেষ কয়টি কথার কিছু অংশের অনুবাদঃ
"কেন আমাকে হত্যা করতে চাও? আমি কি কোন পাপ অথবা অপরাধ করেছি?" এজিদের সৈন্য বাহিনী বোবার মত দাড়িয়ে রইল। পুনরায় ইমাম হোসাইন(আ.) বললেন, "আমাকে হত্যা করলে আল্লাহ্র কাছে কি জবাব দেবে? কি জবাব দেবে বিচার দিবসে মহানবীর কাছে?" এজিদের সৈন্য বাহিনী পাথরের মত দাঁড়িয়ে আছে। আবার ইমাম হোসাইন(রঃ) বললেন, 'হাল্ মিন্ নাস্রিন ইয়ানসুরুনা?" 'আমাদের সাহায্য করার মত কি তোমাদের মাঝে একজনও নাই?' তারপরের আহ্বানটি সাংঘাতিক মারাত্বক। ঐতিহাসিকদের মতে এটাই ইমাম হোসাইন(আ.) -এর শেষ আহ্ববান। "আলাম্ তাস্মাও? আলাইসা ফিকুম্ মুসলিমু?" 'আমার কথা কি শুনতে পাও না? তোমাদের মাঝে কি মাত্র একজন মুসলমানও নাই?'
ইমাম হোসাইন(আ.)-এর শেষ ভাষনটি মাত্র একটি ছোট্র বাক্য। তবে এর ব্যাখ্যা যদি কাঁচ ভাঙ্গার মত টুকরো-টুকরো করে দেখাতে চাই তাহলে সেই বাক্যটি হবে খুবই বেদনা দায়ক। তাই বেশি কিছু না বলে শেষ বাক্যটির সামান্য ব্যাখ্যা দিয়ে শেষ করবো। খাজা বাবা যেমন বলেছেন, 'ইমাম হোসাইন আসল এবং নকলের ব্যবধানটা পরিস্কার করে দেখিয়ে গেলেন' সে রকমই অর্থ বহন করছে ইমাম হোসাইন(আ.)-এর শেষ ভাষনটিতে। কারন, এজিদের সৈন্য বাহিনীতে একজন ও হিন্দু,বৌদ্ধ,খ্রিস্টান অথবা অন্য কোন ধর্মের কেউ ছিল না। সবাই ছিল মুসলমান। অথচ কি সাংঘাতিক এবং ভয়ংকর ভাষন-''তোমাদের মাঝে কি একজন মুসলমানও নাই?'' এজিদের সৈন্যবাহিনীর সবাই মুসলমান এটা আমি অধমের কথা নয় বরং যে কোন বিজ্ঞ আলেমকে প্রশ্ন করে দেখুন। অথচ ইমাম হোসাইন(রঃ) একি তাক লাগানো কথা বলছেন? "তোমাদের মাঝে কি একটি মাত্রও মুসলমান নাই?" না, একটিও সত্যিকার আসল মুসলমান ছিল না বলেই ইমাম হোসাইন(আ.) এই আহ্বান জানিয়ে পৃথিবীকে চোখে আঙ্গুল দিয়ে বুঝিয়ে দিয়ে গেলেন। তিনি বুঝিয়ে দিয়ে গেলেন যে, যারা দাঁড়িয়ে আছে তারা সবাই নকল মুসলমান। বাজারের চালু আসল মালকে নকল করে যেমন জনতাকে ধোঁকা দেয়, সে রকম এরা নকল মুসলমান হয়ে জনতাকে ধোঁকা দিয়ে যায় এবং এই ধোকার ফাদে অনেক বিজ্ঞজনও মনের অজান্তে পা-খানা বাড়িয়ে দেন। বাজারে গিয়ে অনেক বিজ্ঞজনও নকল মাল কেনার ফাঁদে পড়ে যান, সে রকম অবস্থার শিকারও বলতে পারেন। আসল আর নকল চেনবার বিদ্যা রপ্ত করতে হয়, যদিও বিদ্যার প্রশ্নে তা সামান্য। যেমন বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সবচাইতে বড় অধ্যাপককে জায়গাজমি কেনার দলিল লিখতে বললে অক্ষমতা প্রকাশ করবেন, অথচ সেই দলিল লিখছে অল্প শিক্ষিত দলিল-লিখক। তাই আসল আর নকল কে চিনতে হলে একটি বিশেষ জ্ঞানের প্রয়োজন হয় অনেক ক্ষেত্রে। তবে সবার জন্য অবশ্যই নয়।
এখন মূল বিষয়টির দিকে ফিরে আসছি। সেই বিষয়টি হলো, হজরত ওয়ায়েস করনি কিন্তু মহানবীকে কোন প্রকার সাহায্য সহযোগিতা করা তো দূরে থাক, জীবনে একবার জাহিরি চোখে দেখার ভাগ্যও হয়নি। তাই তাকে সাহাবার খেতাব থেকে বাদ দেওয়া হয়, অথচ কোন কারন নেই, কোন যুক্তি নেই, কোন প্রশ্ন আর সংশয়ের বালাই নেই, কেবল মাত্র মহানবীর প্রতি ভালবাসার দরুন তিনি একে একে সব কটি দাঁত পাথরের আঘাতে ভেঙ্গে ফেললেন। কেন ভাঙলেন এই প্রশ্নের উত্তর খোজা বৃথা। কারন যুক্তির ব্যাখ্যা দেওয়া যায়, কিন্তু ভালোবাসা আর বিশ্বাসের ব্যাখ্যা দেওয়া যায় না। এবং এর ব্যাখ্যা নেই। হজরত ওয়ায়েস করনির মনপ্রান জুড়ে মহানবীর প্রতি কতটুকু ভালোবাসা থাকলে দাঁত ভেঙ্গে রক্ত ঝরাতে পারেন। হয়তো যুক্তি তর্কের মানদন্ডে এই ভালোবাসার মুল্যায়ন কতটুকু বলতে পারবো না তবে, এটুকু অন্তত বলতে চাই যে, ভালোবাসাকে ভালোবাসা দিয়েই মাপতে হয়। অনেকে হয়ত বলতে চাইবেন যে, এ রকম দাঁত ভেঙ্গে ফেলার ভালোবাসার কি মুল্য থাকতে পারে ? এর উত্তর দিতে চাই না এজন্যই যে, এ রকম কিছু প্রশ্ন তোলার মানুষ না থাকলে ভালোবাসার রূপটি একঘেয়েমিতে পরিনত হয়। বিচিত্রতার ঝাকুনি থাকে না। তাই মহানবী তাঁর নিজের জুব্বা মোবারক দিয়ে এই ভালোবাসার মুল্যয়ন করেছেন। এখন আরেকটি বিরাট প্রশ্ন তুলতে চাই যে, মহানবী যে ইমাম হোসাইনকে কতটুকু ভালোবাসতেন তা অনেকেই জানেন, তবু একটি কথা মনে করিয়ে দিতে চাই যে, মহানবী বলেছেন যে, বেহেস্তের দুইজন সরদার হলেন "হাসান এবং হোসাইন" এবং তিনি অন্য আরেকটি হাদিসে বলেছেন, হোসাইনকে যারা ভালোবাসে, তারা হোসাইনের সঙ্গে থাকবে তথা বেহেস্তে থাকবে। একটি প্রশ্ন আসতে পারে তা হলো, ইমাম হোসেনের কারবালার মাঠে সবচেয়ে বেদনাদায়ক শাহাদাত বরনের শোকে ইমাম হোসেনের জন্য শোকের মাতম তুলে, বুক চাপড়িয়ে, ছোট ছোট চাকুর ছড়া দিয়ে পিঠে আঘাত করে 'হায় হোসেন' 'হায় হোসেন' করে রক্ত ঝরায়, তাহলে ইমাম হোসাইন এই ভালোবাসার জন্য কি কিছুই দেবেন না? কারন নিরেট ভালোবাসা এবং এই ভালোবাসার ব্যাখ্যা ও যুক্তি উভয়ই সম্পূর্নরূপে বেকার। ইমাম হোসাইনের ভালোবাসায় কেউ মাতম না করলেও বলার কিছু থাকে না। কারন এটা ব্যাক্তিগত ব্যাপার তা ছাড়া ভালোবাসা তৈরি করা যায় না। আর যারা ইমাম হোসাইনের ভালোবাসায় মাতম করে, রক্ত ঝরায় তাদেরকেও বলার কিছুই থাকে না। কারন যুক্তি ও ব্যাখ্যার যেখানে কবর বা শেষ, ভালোবাসা সেখান থেকেই আরম্ভ হয়। এটা হৃদয় দিয়ে বুঝতে হয় মাথা দিয়ে নয়। যুগে যুগে সব সময় এক শ্রেনীর মানুষ বুঝে মাথা দিয়ে, আর একশ্রেনী বুঝে হৃদয় দিয়ে। কাউকেই তুচ্ছ করা যায় না। কারন এই দ্বান্দ্বিক পদ্বতিতেই সব কিছুর রহস্য লুকিয়ে আছে। কেউ বুঝে কেউ বুঝে না। তাই কাউকেই দোষারোপ না করে এটা যার যার তকদিরের লিখন বললেই সুন্দর মানায়।
"ইয়া ঈমাম হোসাইন রাঃ আঃ"
-------------------------------- কারবালার মাঠে একে-একে যখন সবাই শাহাদাত বরন করছেন এবং হজরত ইমাম হোসাইন(আ.) যখন কেবল একা দাড়িয়ে ছিলেন, তখন তার শেষ কয়টি কথার কিছু অংশের অনুবাদঃ
"কেন আমাকে হত্যা করতে চাও? আমি কি কোন পাপ অথবা অপরাধ করেছি?" এজিদের সৈন্য বাহিনী বোবার মত দাড়িয়ে রইল। পুনরায় ইমাম হোসাইন(আ.) বললেন, "আমাকে হত্যা করলে আল্লাহ্র কাছে কি জবাব দেবে? কি জবাব দেবে বিচার দিবসে মহানবীর কাছে?" এজিদের সৈন্য বাহিনী পাথরের মত দাঁড়িয়ে আছে। আবার ইমাম হোসাইন(রঃ) বললেন, 'হাল্ মিন্ নাস্রিন ইয়ানসুরুনা?" 'আমাদের সাহায্য করার মত কি তোমাদের মাঝে একজনও নাই?' তারপরের আহ্বানটি সাংঘাতিক মারাত্বক। ঐতিহাসিকদের মতে এটাই ইমাম হোসাইন(আ.) -এর শেষ আহ্ববান। "আলাম্ তাস্মাও? আলাইসা ফিকুম্ মুসলিমু?" 'আমার কথা কি শুনতে পাও না? তোমাদের মাঝে কি মাত্র একজন মুসলমানও নাই?'
ইমাম হোসাইন(আ.)-এর শেষ ভাষনটি মাত্র একটি ছোট্র বাক্য। তবে এর ব্যাখ্যা যদি কাঁচ ভাঙ্গার মত টুকরো-টুকরো করে দেখাতে চাই তাহলে সেই বাক্যটি হবে খুবই বেদনা দায়ক। তাই বেশি কিছু না বলে শেষ বাক্যটির সামান্য ব্যাখ্যা দিয়ে শেষ করবো। খাজা বাবা যেমন বলেছেন, 'ইমাম হোসাইন আসল এবং নকলের ব্যবধানটা পরিস্কার করে দেখিয়ে গেলেন' সে রকমই অর্থ বহন করছে ইমাম হোসাইন(আ.)-এর শেষ ভাষনটিতে। কারন, এজিদের সৈন্য বাহিনীতে একজন ও হিন্দু,বৌদ্ধ,খ্রিস্টান অথবা অন্য কোন ধর্মের কেউ ছিল না। সবাই ছিল মুসলমান। অথচ কি সাংঘাতিক এবং ভয়ংকর ভাষন-''তোমাদের মাঝে কি একজন মুসলমানও নাই?'' এজিদের সৈন্যবাহিনীর সবাই মুসলমান এটা আমি অধমের কথা নয় বরং যে কোন বিজ্ঞ আলেমকে প্রশ্ন করে দেখুন। অথচ ইমাম হোসাইন(রঃ) একি তাক লাগানো কথা বলছেন? "তোমাদের মাঝে কি একটি মাত্রও মুসলমান নাই?" না, একটিও সত্যিকার আসল মুসলমান ছিল না বলেই ইমাম হোসাইন(আ.) এই আহ্বান জানিয়ে পৃথিবীকে চোখে আঙ্গুল দিয়ে বুঝিয়ে দিয়ে গেলেন। তিনি বুঝিয়ে দিয়ে গেলেন যে, যারা দাঁড়িয়ে আছে তারা সবাই নকল মুসলমান। বাজারের চালু আসল মালকে নকল করে যেমন জনতাকে ধোঁকা দেয়, সে রকম এরা নকল মুসলমান হয়ে জনতাকে ধোঁকা দিয়ে যায় এবং এই ধোকার ফাদে অনেক বিজ্ঞজনও মনের অজান্তে পা-খানা বাড়িয়ে দেন। বাজারে গিয়ে অনেক বিজ্ঞজনও নকল মাল কেনার ফাঁদে পড়ে যান, সে রকম অবস্থার শিকারও বলতে পারেন। আসল আর নকল চেনবার বিদ্যা রপ্ত করতে হয়, যদিও বিদ্যার প্রশ্নে তা সামান্য। যেমন বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সবচাইতে বড় অধ্যাপককে জায়গাজমি কেনার দলিল লিখতে বললে অক্ষমতা প্রকাশ করবেন, অথচ সেই দলিল লিখছে অল্প শিক্ষিত দলিল-লিখক। তাই আসল আর নকল কে চিনতে হলে একটি বিশেষ জ্ঞানের প্রয়োজন হয় অনেক ক্ষেত্রে। তবে সবার জন্য অবশ্যই নয়।
এখন মূল বিষয়টির দিকে ফিরে আসছি। সেই বিষয়টি হলো, হজরত ওয়ায়েস করনি কিন্তু মহানবীকে কোন প্রকার সাহায্য সহযোগিতা করা তো দূরে থাক, জীবনে একবার জাহিরি চোখে দেখার ভাগ্যও হয়নি। তাই তাকে সাহাবার খেতাব থেকে বাদ দেওয়া হয়, অথচ কোন কারন নেই, কোন যুক্তি নেই, কোন প্রশ্ন আর সংশয়ের বালাই নেই, কেবল মাত্র মহানবীর প্রতি ভালবাসার দরুন তিনি একে একে সব কটি দাঁত পাথরের আঘাতে ভেঙ্গে ফেললেন। কেন ভাঙলেন এই প্রশ্নের উত্তর খোজা বৃথা। কারন যুক্তির ব্যাখ্যা দেওয়া যায়, কিন্তু ভালোবাসা আর বিশ্বাসের ব্যাখ্যা দেওয়া যায় না। এবং এর ব্যাখ্যা নেই। হজরত ওয়ায়েস করনির মনপ্রান জুড়ে মহানবীর প্রতি কতটুকু ভালোবাসা থাকলে দাঁত ভেঙ্গে রক্ত ঝরাতে পারেন। হয়তো যুক্তি তর্কের মানদন্ডে এই ভালোবাসার মুল্যায়ন কতটুকু বলতে পারবো না তবে, এটুকু অন্তত বলতে চাই যে, ভালোবাসাকে ভালোবাসা দিয়েই মাপতে হয়। অনেকে হয়ত বলতে চাইবেন যে, এ রকম দাঁত ভেঙ্গে ফেলার ভালোবাসার কি মুল্য থাকতে পারে ? এর উত্তর দিতে চাই না এজন্যই যে, এ রকম কিছু প্রশ্ন তোলার মানুষ না থাকলে ভালোবাসার রূপটি একঘেয়েমিতে পরিনত হয়। বিচিত্রতার ঝাকুনি থাকে না। তাই মহানবী তাঁর নিজের জুব্বা মোবারক দিয়ে এই ভালোবাসার মুল্যয়ন করেছেন। এখন আরেকটি বিরাট প্রশ্ন তুলতে চাই যে, মহানবী যে ইমাম হোসাইনকে কতটুকু ভালোবাসতেন তা অনেকেই জানেন, তবু একটি কথা মনে করিয়ে দিতে চাই যে, মহানবী বলেছেন যে, বেহেস্তের দুইজন সরদার হলেন "হাসান এবং হোসাইন" এবং তিনি অন্য আরেকটি হাদিসে বলেছেন, হোসাইনকে যারা ভালোবাসে, তারা হোসাইনের সঙ্গে থাকবে তথা বেহেস্তে থাকবে। একটি প্রশ্ন আসতে পারে তা হলো, ইমাম হোসেনের কারবালার মাঠে সবচেয়ে বেদনাদায়ক শাহাদাত বরনের শোকে ইমাম হোসেনের জন্য শোকের মাতম তুলে, বুক চাপড়িয়ে, ছোট ছোট চাকুর ছড়া দিয়ে পিঠে আঘাত করে 'হায় হোসেন' 'হায় হোসেন' করে রক্ত ঝরায়, তাহলে ইমাম হোসাইন এই ভালোবাসার জন্য কি কিছুই দেবেন না? কারন নিরেট ভালোবাসা এবং এই ভালোবাসার ব্যাখ্যা ও যুক্তি উভয়ই সম্পূর্নরূপে বেকার। ইমাম হোসাইনের ভালোবাসায় কেউ মাতম না করলেও বলার কিছু থাকে না। কারন এটা ব্যাক্তিগত ব্যাপার তা ছাড়া ভালোবাসা তৈরি করা যায় না। আর যারা ইমাম হোসাইনের ভালোবাসায় মাতম করে, রক্ত ঝরায় তাদেরকেও বলার কিছুই থাকে না। কারন যুক্তি ও ব্যাখ্যার যেখানে কবর বা শেষ, ভালোবাসা সেখান থেকেই আরম্ভ হয়। এটা হৃদয় দিয়ে বুঝতে হয় মাথা দিয়ে নয়। যুগে যুগে সব সময় এক শ্রেনীর মানুষ বুঝে মাথা দিয়ে, আর একশ্রেনী বুঝে হৃদয় দিয়ে। কাউকেই তুচ্ছ করা যায় না। কারন এই দ্বান্দ্বিক পদ্বতিতেই সব কিছুর রহস্য লুকিয়ে আছে। কেউ বুঝে কেউ বুঝে না। তাই কাউকেই দোষারোপ না করে এটা যার যার তকদিরের লিখন বললেই সুন্দর মানায়।
"ইয়া ঈমাম হোসাইন রাঃ আঃ"
Friday, July 28, 2017
Subscribe to:
Posts (Atom)











