Thursday, March 29, 2018

ইমোর_চটকদার_প্রতারকদের_কাছ_থেকে_সাবধান



ইমোর মাধ্যমে অতি অল্প খরচে দেশে পরিবার, পরিজনদের সাথে অডিও ভিডিও কলে কথা বলা যায় সহজে। প্রিয়জন বাবা-মা,ভাই,বোন অথবা আদরের সন্তানের মুখ দেখতে কার না ভালো লাগে!  ইমো তাই সব প্রবাসীর কাছেই অতি প্রিয়। 

কিন্তু ইমো অনেক ভয়ংকর ক্ষতিকর দিকও ইদানীং প্রকাশ পাচ্ছে। ইচ্ছাকৃত বা অনিচ্ছাকৃত ভাবে হোক ইমোর মমাধ্যমে আমরা নিজরা নিজেদের অনেক সর্বনাশ ডেকে আনছি। 

যেমন নতুন,পুরাতন  প্রবাসী অনেকেই  নানারকম অনৈতিক সম্পর্কে জড়িয়ে যায় ইমোর মাধ্যমে। অনেক বিবাহিত কুলাঙ্গারও পরকিয়াতে মজে যায় ইমোতে!

ইমোতে পরিচিত হওয়া কারো জন্য টাকা পাঠায় প্রবাসীরা। ইমোতে অবৈধ কার্যকলাপেরর লোভে, অনেকে মেয়েদের ফাঁদে পা দেয়।

আমরা কি জানি এই টাকা আমাদের কোন কাজে আসছে কিনা? এখন আমরা সবাই হয়তো একটা জিনিস জানি যে,  এখন ফেসবুকে বা ইমোতে অনেক ভুয়া নাম ব্যবহার করে আমাদের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।

আবার এসব প্রতারণার ফাঁদে ফেলে অনেক প্রতারক ইমো হ্যাক করে। ব্যক্তিগত ছবি সংগ্রহ করে ব্ল্যাকমেইল করে। নানাভাবে অর্থকড়ি হাতিয়ে নেয়।

বিভিন্ন পেইজের পোষ্ট এর কমেন্টবক্সে,  অনলাইনে বিভিন্ন পেইজ বা পোষ্টে দেখা যায়  অনেক বাজে মেয়ে প্রবাসীদের কে টার্গেট করে তাদের দেহের বিজ্ঞাপন দিয়ে থাকে। জিভে পানি নিয়ে সেই বিজ্ঞাপনগুলোর পেছনে ছোটে নারীলোভিরা! তারা নানাভাবে অর্থ ব্যয় করে। প্রকৃতপক্ষে, তারা যে প্রতারণার ফাঁদে পা দিল, লোভের কারণে এটা বুঝেও বিঝতে চায় না।

আপনি কি নিশ্চিৎভাবে বলতে পারবেন,  আপনি যার পেছছনে অর্থ এবং নিজের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সময় ব্যয় করছেন, সে তাদের একজন কিনা?

সে তাদের একজন হোক বা না হোক মাথায় রাখবেন যে মেয়ে বিভিন্ন বাহানা দেখিয়ে টাকা নিতে পারে, সে কোন ভালো মেয়ে হতে পারে না।

আপনার একটুও কি লজ্জা লাগেনা, মা-বাবা আপনাকে এত কষ্ট করে ধারদেনা ঋণের বোঝা নিয়ে বিদেশ পাঠিয়েছে, আর আপনি এখন একটা মেয়ে বা অন্য বাজে কাজে টাকা নষ্ট করছেন। আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজের বিবেককে প্রশ্ন করুন, কি করছেন আপনি!

আল্লাহ আমাদের মন পরিস্কার রেখে সৎভাবে জীবন যাপন করার তৌফিক দিন। আমিন।

Friday, March 23, 2018

mdkabir823: অনলাইনে বাংলাদেশ ভিসার আবেদন।

mdkabir823: অনলাইনে বাংলাদেশ ভিসার আবেদন।: তুমি কি চাও? বৈদ্যুতিন ভিসা অ্যাপ্লিকেশন ফরম নির্দেশাবলী পৃষ্ঠা স্বাগতম এই পৃষ্ঠায় পাওয়া ফর্মগুলি অন-লাইন পূরণ করা এবং আপনার অ্যাপ্লিক...

Thursday, March 22, 2018

অনলাইনে বাংলাদেশ ভিসার আবেদন।

তুমি কি চাও?
বৈদ্যুতিন ভিসা অ্যাপ্লিকেশন ফরম নির্দেশাবলী পৃষ্ঠা স্বাগতম এই পৃষ্ঠায় পাওয়া ফর্মগুলি অন-লাইন পূরণ করা এবং আপনার অ্যাপ্লিকেশনের প্রক্রিয়াকরণের সহায়তা করতে পারে।

• আপনি যদি ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার (উইন্ডোজ) ব্যবহার করছেন, তবে এই সাইটের সাথে কাজ করবে ন্যূনতম সংস্করণ সংস্করণ 9.0।
• আপনি যদি মোজিলা ফায়ারফক্স ব্যবহার করছেন, তাহলে এই সাইটের সাথে কাজ করবে এমন সর্বনিম্ন সংস্করণটি 3.5 সংস্করণ।
• সম্পূর্ণ অ্যাডভান্সড ফরম ডাউনলোড এবং মুদ্রণ করার জন্য আপনার পিসিতে অ্যাডোবি অ্যাক্রোব্যাট রিডার সংস্করণ 8.0 বা উচ্চতর ইনস্টল থাকা আবশ্যক। (যদি আপনার অ্যাডোবি অ্যাক্রোব্যাট রিডার না থাকে)
• পূর্ণ আবেদনপত্রটি প্রিন্ট করার জন্য আপনাকে একটি কালি-জেট বা লেজার প্রিন্টার ব্যবহার করতে হবে।

আপনি আবেদন করার আগে, আমাদের সমর্থিত দেশগুলি চেক করুন যেখানে আপনি যে দেশটি আবেদন করছেন সেটি অন লাইন অ্যাপ্লিকেশন গ্রহণ করে কিনা তা জানতে পারবেন।

বর্তমানে এই পরিষেবাটি নতুন ভিসা, ভিসা এক্সটেনশন, কোন ভিসা প্রয়োজনীয় (এনভিআর) এবং অনার্জ ভিসা (OAV) জন্য অ্যাপ্লিকেশন জমা দেওয়ার অনুমতি দেয়।

অনলাইন ফরমগুলি সম্পূর্ণ করার জন্য আপনাকে একটি ইমেল ঠিকানা প্রয়োজন হবে। এটি নিরাপত্তার কারণগুলির জন্য এবং এটি যাতে আমরা আপনার অনলাইন আবেদন সম্পর্কিত আপনার সাথে যোগাযোগ করতে পারি।

আমরা এই প্রক্রিয়াটির অংশ হিসাবে আপনার অনলাইন ভিসা আবেদন ফর্মটি প্রিন্ট করার জন্য আপনাকে অনুরোধ করব; তাই আপনি আপনার কম্পিউটার থেকে মুদ্রণ করার ক্ষমতা প্রয়োজন হবে।

আমরা আপনাকে নিম্নলিখিত তথ্য হাতে হাতে তুলে ধরার প্রস্তাবও দিচ্ছি:
• পাসপোর্ট
• JPEG ফরম্যাটে 45 মিমি x 35 মিমি ডিজিটাল ছবি; সর্বাধিক আকার 300kb (ছবিটি ঐচ্ছিক)।
• বাংলাদেশের ঠিকানা
• ইমেল ঠিকানা

আপনি যে কোনও পৃষ্ঠাতে আপনার ভিসা আবেদনটি সংরক্ষণ করতে পারেন যেখানে আপনি এই ছবিটি দেখতে পাবেন
অনলাইন আবেদন প্রক্রিয়ার জন্য ব্যবহারকারীর প্রয়োজন:
ধাপ 1: অনলাইন ভিসা আবেদন ফরম পূরণ করুন এবং জমা দিন
ধাপ ২: সম্পন্ন ফর্মটি মুদ্রণ করুন
পদক্ষেপ 3: প্রয়োজনীয় নথিপত্রের সাথে প্রিন্টেড ফর্মটি নিন, নিকটবর্তী ভিসা অফিস / ভিসা অফিসে বাংলাদেশ ভিসা ফি নথিভুক্ত করুন।

বর্তমান ভিসা ফি এখানে পাওয়া যায়

আমাদের তথ্য সুরক্ষার এবং কপিরাইট বাধ্যবাধকতাগুলির বিশদ বিবরণের জন্য, দয়া করে আমাদের শর্তাবলী এবং গোপনীয়তা নীতি পড়ুন দয়া করে নিশ্চিত করুন যে আপনি এইগুলি এবং সমস্ত প্রাসঙ্গিক নির্দেশিকা নোটগুলি পড়েছেন এবং নীচের চেকবক্সটি টিক করে এই নিশ্চিত করুন।

আপনার আবেদনটি প্রত্যাখ্যান করা হতে পারে এবং আপনি যদি কোনও মিথ্যা দস্তাবেজ ব্যবহার করেন, মিথ্যা তথ্য বা প্রাসঙ্গিক তথ্য আটকান তাহলে আপনাকে কয়েক বছর ধরে বাংলাদেশে আসার জন্য নিষিদ্ধ করা হতে পারে। বাংলাদেশে অভিবাসন আইন লঙ্ঘন করলে আপনিও নিষিদ্ধ হতে পারেন। বাংলাদেশে "নতুন" যাত্রীবাহী যারা নিজের জন্য এবং / অথবা তাদের সন্তানদের জন্য একটি অবৈধ ভ্রমণ ডকুমেন্ট বা বাংলাদেশ অভিবাসন কর্তৃপক্ষের কাছে পাসপোর্ট প্রদান করে একটি অপরাধ করে থাকেন। এই অপরাধে দোষী ব্যক্তিরা দুই বছরের কারাদণ্ড বা জরিমানা (অথবা উভয়) পর্যন্ত দোষী।

আমি উপরের তথ্য এবং প্রাসঙ্গিক নির্দেশিকা নোটগুলি পড়েছি

Thursday, March 8, 2018

mdkabir823: আব্দুল্লাহ

mdkabir823: আব্দুল্লাহ: ইব্রাহীম বিন মোঃ কবির,(আব্দুল্লাহ)  জন্ম ১১এপ্রিল ২০১৫ রোজ বুধবার। পিতা :মোঃ কবির হোসেন। গ্রাম :ইউ, এন,সি নগর, পোস্ট :মতিনগর, থা...

আব্দুল্লাহ


ইব্রাহীম বিন মোঃ কবির,(আব্দুল্লাহ) 
জন্ম ১১এপ্রিল ২০১৫
রোজ বুধবার।
পিতা :মোঃ কবির হোসেন।
গ্রাম :ইউ, এন,সি নগর,
পোস্ট :মতিনগর,
থানা:সোনামুড়া,
জেলা: সিপাহীজলা,
ত্রিপুরা ৭৯৯১৩১




Saturday, March 3, 2018

ত্রিপুরা বিধানসভা নির্বাচন-২০১৮

ত্রিপুরা বিধানসভা নির্বাচন-২০১৮
================
১)সীমনা:-বিজেপি(বিশ্বকেতু দেব্বর্মা-১৫৯৭৭)।
২)মোহনপুর:-বিজেপি(রতনলাল নাথ-২২৫১৬)।
৩)বামুটিয়া:-বিজেপি(কৃষ্ণধন দাস-২০০১৪)।
৪)বড়জলা:- বিজেপি(দিলীপ কুমার দাস -২২০৫২)
৫)খয়েরপুর:- বিজেপি(রতন চক্রবর্তী -২৫৪৯৬)
৬)আগরতলা:-বিজেপি (সুদীপ রায় বর্মণ-২৫২৩৪)
৭)রামনগর:- বিজেপি(সুরজিত দত্ত -২১০৯২)
৮)টাউন বরদোয়ালী:-বিজেপি (আসিস কুমার সাহা -২৪২৯৩)
৯)বনমালীপুর:-বিজেপি (বিপ্লব কুমার দেব-২১৭৫৫)
১০)মজলিশপুর:-বিজেপি ( সুশান্ত চৌধুরী -২৩২৪৯)
১১)মান্দাই:-আই.পি.এফ.টি (ধীরেন্দ্র দেব্বর্মা-২১৩৮১)
১২)টাকারজলা:-আই.পি.এফ.টি (নরেন্দ্রচন্দ্র দেব্বর্মা-২২০৫৬)
১৩)প্রতাপগড়:-বিজেপি (রেবতীমোহন দাস-২৫৮৩৪)
১৪)বাঁধারঘাট:-বিজেপি (দীলিপ সরকার-২৮৫৬১)
১৫)কমলাসাগর:-সি.পি.আই.এম (নারায়ণ চৌধুরী-১৮৮৪৭)
১৬)বিশালগড়:-সি.পি.আই.এম (ভানুলাল সাহা-২১২৫৪)
১৭)গোলাঘাটি:-বিজেপি (বীরেন্দ্রকিশোর দেব্বর্মা-১৯২২৮)
১৮)সূর্য্যমণিনগর:-বিজেপি (রামপ্রসাদ পাল-২৪৮৭৪)
১৯)চড়িলাম:-নির্বাচন স্থগিত
২০)বক্সনগর:-সি.পি.আই.এম (শহীদ চৌধুরী-১৯৮৬২)
২১)নলছড়:-বিজেপি (শুভাশিস চন্দ্র দাস-১৯৮৬২)
২২)সোনামুড়া:-সিপিআইএম (শ্যামল চক্রবর্তী -14578)
২৩)ধনপুর:-সিপিআইএম (মানিক সরকার -১৪০২৭)
২৪)রামচন্দ্রঘাট:-আই.পি.এফ.টি (প্রশান্ত দেব্বর্মা-১৯৪৩৯)
২৫)খোয়াই:-সি.পি.আই.এম (নির্মল বিশ্বাস-২০৬২৯)
২৬)আশারামবাড়ি:-আই.পি.এফ.টি (মেবারকুমার জমাতিয়া-১৯১৮৮)
২৭)কল্যাণপুর-প্রমোদনগর:-বিজেপি (পিণাকীদাস চৌধুরী-২০২৯৩)
২৮)তেলিয়ামুড়া:- বিজেপি (কল্যাণী রায় -২২৪১৪)
২৯)কৃষ্ণপুর:- বিজেপি (অতুল দেব্বর্মা-১৬৭৩০)
৩০)বাগমা:-বিজেপি (রামপদ জমাতিয়া-২৪০৭৪)
৩১)রাধাকিশোরপুর:-বিজেপি ( প্রসেনজিৎ সিংহ রায় -২২৪১৪)
৩২)মাতাবাড়ি:- বিজেপি (বিপ্লব কুমার ঘোষ -২৩০৬৯)
৩৩)শালগড়া:-সি.পি.আই.এম (রতন কুমার ভৌমিক-২৪৮৩৫)
৩৪)রাজনগর:-সি.পি.আই.এম (সুধন দাস-২২০০৪)
৩৫)বিলোনিয়া:-বিজেপি (অরুণচন্দ্র ভৌমিক-১৯৩০৭)
৩৬)শান্তিরবাজার:-বিজেপি (প্রমোদ রিয়াং-২১৭০১)
৩৭)ঋষ্যমুখ:-সি.পি.আই.এম (বাদল চৌধুরী-২২৬৭৩)
৩৮)জোলাইবাড়ি:-সি.পি.আই.এম (যশোবীর ত্রিপুরা-২১১৬০)
৩৯)মনু:-সি.পি.আই.এম ( প্রভাত চৌধুরী -১৯৪৩২)
৪০)সাব্রুম:-বিজেপি (শঙ্কর রায়-২১০৫৯)
৪১)অম্পিনগর:-আই.পি.এফ.টি ( সিন্ধু চন্দ্র জমাতিয়া -১৮২০২)
৪২)অমরপুর:-বিজেপি (রনজিৎ দাস -১৬৫৫৫)
৪৩)করবুক:-বিজেপি (বুর্বমোহন ত্রিপুরা-১৫৬২২)
৪৪)রাইমাভ্যলী:-আই.পি.এফ.টি (ধনঞ্জয় ত্রিপুরা-১৮৬৭৩)
৪৫)কমলপুর:-বিজেপি (মনোজ কান্তি দেব-২০১৬৫)
৪৬)সুরমা:-বিজেপি (আশিস দাস-২০৭৬৭)
৪৭)আমবাসা:-বিজেপি (পরিমল দেব্বর্মা-২০৮৪২)
৪৮)করমছড়া:- বিজেপি (দিবাচন্দ্র রাঙখল-১৯৩৯৭)
৪৯)ছামনু:-বিজেপি (শম্ভুলাল চাকমা-১৮২৯০)
৫০)পাবিয়াছড়া:-বিজেপি (ভগবান দাস-২২৮১৫)
৫১)ফটিকরায়:-বিজেপি (সুধাংশু দাস-১৯৫১২)
৫২)চন্ডীপুর:-সি.পি.আই.এম (তপন চক্রবর্তী-১৮৫৪৫)
৫৩)কৈলাশহর:-সি.পি.আই.এম (মোবস্বর আলী-১৮০৯৩)
৫৪)কদমতলা-কুর্তি:-সি.পি.আই.এম (ইসলাম উদ্দিন-২০৭২১)
৫৫)বাগবাসা:-সি.পি.আই.এম (বিজিতা নাথ-১৭৪৩৬)
৫৬)ধর্মনগর:-বিজেপি (বিশ্ববন্ধু সেন-২১৩৫৭)
৫৭)যুবরাগনগর:- সি.পি.আই.এম ( রামেন্দ্র চন্দ্র দেবনাথ -১৭৪৮০)
৫৮)পানিসাগর:-বিজেপি (বিনয়বিষ্ণু দাস-১৫৮৯২)
৫৯)পেঁচারথল:-বিজেপি (শান্তনা চাকমা-১৭৭৪৩)
৬০)কাঞ্চনপুর:-আই.পি.এফ.টি (প্রেমকুমার রিয়াং-১৯৪৪৮)

Thursday, December 7, 2017

বাবরি মসজিদ বনাম রাম মন্দির,

🌷বাবরি মসজিদ বনাম রাম মন্দির🌷

🌷

ভারতের ইতিহাসে একটি রক্তাক্ত নাম বাবরি মসিজদ। দেশটির উত্তরপ্রদেশের ফৈজাবাদে ১৫২৮-২৯ সালে মুঘল সম্রাট বাবরের নির্দেশে মসজিদটি তৈরি করেন মীর বাকী। বাবরের নামেই মসজিদটির নামকরণ করা হয় বাবরি মসজিদ। ভারতীয় হিন্দুদের একটি অংশ মনে করে, ওই জায়গাটি হচ্ছে তাদের দেবতা রামের জন্মভূমি। তাদের ধারণা, যেখানে মসজিদ গড়ে তোলা হয়েছে, সেখানে আগে রাম মন্দির ছিল। এ নিয়ে প্রথমে ধর্মীয় বিতর্ক শুরু হলেও পরে তা রাজনৈতিক রূপ পায়।
১৯৯২ সালের ৬ ডিসেম্বর বাবরি মসজিদ ধ্বংস করে দেয় মৌলবাদী হিন্দুরা। এ নিয়ে ভারতে শুরু হয় সম্প্রদায়িক দাঙ্গা। এতে নিহত হয় অন্তত ২ হাজার। ভারতের ইতিহাসে এটাই সবচেয়ে বড় সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা। বাবরি মসজিদ ধ্বংসের মূল হোতাদের বিরুদ্ধে হয়েছে মামলা। সেই মামলা নিয়েও হয়েছে বিতর্ক।
সর্বপ্রথম ১৮৫৩ সালে বাবরি মসজিদ নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়। নবাব ওয়াজেদ আলি শাহর সময় প্রথমবারের মতো হিন্দুদের একটি অংশ দাবি তোলে, সম্রাট বাবরের সময়ে উত্তরপ্রদেশে রামমন্দির ধ্বংস করে মসজিদ তৈরি করা হয়েছে। সেই থেকে শুরু। পরে ১৮৫৯ সালে ব্রিটিশরা ভারত শাসনের সময় হিন্দু-মুসলিম দ্বন্দ্বের কারণ ওই জায়গাকে দুই ভাগে ভাগ করে দেয়। একভাগ হিন্দুদের, অন্যভাগ মুসলিমদের দেয়া হয়। এ নিয়ে ১৮৮৫ সালে প্রথম মামলা করেন মহন্ত রঘুবীর দাস নামের একজন। মামলায় মসজিদের বাইরে হিন্দুদের জন্য একটি শামিয়ানা খাটানো ও মঞ্চ তৈরির কথা বলা হয়। তবে সেই মামলা খারিজ করে দেয় ফৈজাবাদ জেলা আদালত।
১৯৪৯ সালে হিন্দু দেবতা রামচন্দ্রের একটি মূর্তি পাওয়া যায় মসজিদের ভেতর। ওই মূর্তি হিন্দুরা গোপনে মসজিদে রেখে এসেছে বলে অভিযোগ করে মুসলিমরা। দুই পক্ষই মসজিদের জায়গা দাবি করতে থাকে। এক পর্যায়ে ওই জায়গা বিতর্কিত ঘোষণা করে তালা ঝুলিয়ে দেয় সরকার।
১৯৫০ সালে গোপাল সিং বিশারদ ও মহন্ত পরমহংস রামচন্দ্র দাস নামের দুইজন ওই স্থানে প্রার্থনা করার জন্য আবারও ফৈজাবাদ আদালতে আবেদন করে। ফলে জায়গাটি খুলে দেয়া হয়। জায়গাটি রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব হিন্দুদের দেয়ার জন্য ১৯৫৯ সালে আদালতে আবেদন করে তারা। ১৯৬১ সালে ওয়াকফের সুন্নি সেন্ট্রাল বোর্ড মসজিদে হিন্দু দেবতার মূর্তি স্থাপনের বিরুদ্ধে আবেদন করে।
১৯৮৪ সালে মসজিদের জায়গায় রাম মন্দির গড়তে একটি কমিটি করে হিন্দুরা। তাদের সেই মৌলবাদী আন্দোলনই এক পর্যায়ে ছড়িয়ে পড়তে থাকে। মঞ্চে আসে ভারতের হিন্দুত্ববাদী দল ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। দলটির নেতা লালকৃষ্ণ আদভানির নেতৃত্বে শুরু হয় এই আন্দোলন।
১৯৮৬ সাল হরি শঙ্কর দুব নামের এক হিন্দুর আবেদনের ভিত্তিতে জেলা আদালত নির্দেশ দেয় মসজিদের গেট খুলে দেয়ার এবং সেখানে হিন্দুরা প্রার্থনা করার। এর প্রতিবাদ জানায় মুসলিমরা। তারা গঠন করে ‘বাবরি মসজিদ অ্যাকশন কমিটি’। ১৯৮৯ সালে ভারতের আরেক মৌলবাদী সংগঠন ‘বিশ্ব হিন্দু পরিষদ’ (ভিএইচপি) বাবরি মসজিদের জায়গায় রাম মন্দিরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে। সংগঠনটির সাবেক সহ-সভাপতি বিচারপতি দেবকী নন্দন আগরওয়াল বাবরি মসজিদ অন্যত্র সরিয়ে নেয়ার আবেদন করেন আদালতে। এতে সবগুলো আবেদনই হাইকোর্টে স্থানান্তর করা হয়।
বাবরি মসজিদ হামলা
১৯৯০ সালে ভিএইচপি নেতৃত্বাধীন হিন্দু মৌলবাদীরা মসজিদ ধ্বংসের চেষ্টা করে। তখন ভারতের প্রধানমন্ত্রী চন্দ্রশেখরের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয়। ওই বছরের সেপ্টেম্বরে লালকৃষ্ণ আদভঅনি গুজরাট রাজ্যের সোমনাথ থেকে অযোধ্যা পর্যন্ত এক বিতর্কিত রথযাত্রা করে রাম মন্দিরের গুরুত্ব বোঝানোর চেষ্টা করেন।
এদিকে ১৯৯১ সালে ভারতের প্রধান বিরোধী দলে হয়ে ওঠে হিন্দুত্ববাদী বিজেপি। উত্তরপ্রদেশে ক্ষমতায়ও আসে তারা। তারা মন্দির আন্দোলনকে আরও এগিয়ে নেন। ১৯৯২ সালের ৬ ডিসেম্বর বাবরি মসজিদ ভেঙে দেয় চরমপন্থি হিন্দুরা। তাদের এই কাজে সমর্থন দেয় শিবসেনা, বিশ্ব হিন্দু পরিষদ ও বিজেপি। ওই ঘটনায় ভারতজুড়ে শুরু হয় ভয়াবহ সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা। এতে প্রাণ হারায় ২ হাজার মানুষ। ঘটনা তদন্তে ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী নরসীমা রাও সরকার বিচারপতি এমএস লিবারহানের নেতৃত্বে একটি কমিটি করে।
২০০১ সালে মসজিদ ধ্বংসের দশ বছর পূর্তিতে আতঙ্ক সৃষ্টি হয় ভারতে। বিশ্ব হিন্দু পরিষদ আবারও দাবি করে, অযোধ্যার ওই জমিতে রাম মন্দির তারা তৈরি করবেই। ২০০২ সালের ফেব্রুয়ারিতে গুজরাটের আবারও হয় দাঙ্গা। নিহত হয় ১ হাজার জন। ওই বছরই গুজরাটের হাইকোর্ট আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়াকে পরীক্ষা করতে নির্দেশ দেয়, মসজিদের নিচে কোনও মন্দির আছে কিনা।
২০০৩ সালে জরিপ শুরু করে তারা। প্রতিবেদনে বলা হয়, মসজিদের নিচে একটি মন্দিরের অস্তিত্ব আছে। তবে ওই প্রতিবেদন মানতে অস্বীকার করে মুসলিমরা। ওই বছরের সেপ্টেম্বর মাসে সাত হিন্দু নেতার বিরুদ্ধে বাবরি মসজিদ ধ্বংস মামলায় বিচারের কথা বলা হয়। তবে উপ-প্রধানমন্ত্রী থাকায় লালকৃষ্ণ আদভানির বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ আনা যায়নি।
২০০৪ সাল উত্তরপ্রদেশে ক্ষমতায় আসে কংগ্রেস। আদালত রায় দেয়, মামলায় আদভানির নামও রাখতে হবে। ২০০৯ সাল বাবরি মসজিদ ধ্বংসের পর তৈরি লিবারহান কমিশন জুন মাসে রিপোর্ট পেশ করে। রিপোর্টে ঘটনার জন্য বিজেপি নেতাদের দায়ী করা হয়। এ নিয়ে ভারতের সংসদে হাঙ্গামা হয়।
২০১০ সালে এলাহাবাদ হাইকোর্ট বিতর্কিত এই মামলায় রায় দেয়। বলা হয়, জমিকে তিন ভাগে ভাগ করতে হবে। এক অংশ পাবে হিন্দু মহাসভা, এক অংশ পাবে মুসলমি ওয়াকফ বোর্ড এবং তৃতীয় অংশ যাবে নির্মোহী আখাড়ায়। রায়ের বিরুদ্ধে অখিল ভারতীয় হিন্দু মহাসভা ও সুন্নি ওয়াকফ বোর্ড সুপ্রিমকোর্টে আপিল করে। ২০১১ সালে রায়ে স্থগিতাদেশ দেয় ভারতের সর্বোচ্চ আদালত।
২০১৪ সালে ভারত ক্ষমতায় আসে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকার। এ সময় থেকে আবার মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে হিন্দুত্ববাদ। ভিএইচপি ঘোষণা করে, সারা দেশ থেকে পাথর সংগ্রহ করে রাম মন্দির তৈরি করা হবে। এতে বিজেপি সরকারের সমর্থন আছে বলেও জানায় তারা। কয়েক মাস পরে ২ লরি পাথর বাবরি মসজিদের জমিতে নিয়ে যাওয়া হয়। এতে বাধা দেয় তৎকালীন উত্তরপ্রদেশে ক্ষমতায় থাকা অখিলেশ যাদব সরকার। এভাবে রাম মন্দির তৈরি করা যাবে না বলে তারা জানায়।
২০১৭ সালে বাবরি মসজিদ ধ্বংসে লালকৃষ্ণ আদভানি ও অন্য হিন্দু নেতাদের নামে চার্জ সরানো যাবে না বলে জানায় ভারতের সুপ্রিমকোর্ট। এ ধরনের সংবেদনশীল মামলা আদালতের বাইরে মেটানোরও পরামর্শ দেয় তারা। ৩০ মে লালকৃষ্ণ আদভাণীসহ বিজেপির অন্য শীর্ষ নেতাদের আগাম জামিন মঞ্জুর করে দেশটির তদন্ত সংস্থা সিবিআই’র বিশেষ আদালত। লখনউতে সিবিআইর ওই আদালত আদভাণী, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী উমা ভারতী, মুরলী মনোহরসহ মোট ১২ নেতাকে জামিন দেয়।
বারো অভিযুক্ত নেতাকেই পঞ্চাশ হাজার টাকার ব্যক্তিগত বন্ডে জামিন দেন বিচারক। অভিযুক্তরা অবশ্য তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করে মামলা থেকে অব্যাহতি চেয়েছেন। তবে সে বিষয়ে এখনো কোনো রায় দেয়নি আদালত। অভিযুক্ত বিজেপি নেতাদের অব্যাহতির আবেদন আদালত মেনে না নিলে তাদের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করে শুনানি শুরু হবে।
মামলা অভিযুক্ত বিজেপির শীর্ষ ৩ নেতা: উমা ভারতী, আদভানী ও মুরলি মনোহর
মামলায় অভিযুক্ত অন্য বিজেপি নেতারা হচ্ছেন: বিনয় কাটিয়ার, বিষ্ণুহরি ডালমিয়া, সতীশ প্রধান, সিআর বনশাল, সাধ্বী রীতম্ভরা, আরভি বেদান্তি, জগদীশ মুনি মহারাজ, বিএল শর্মা, নিত্যগোপাল দাস, ধর্ম দাস ও সতীশ নাগার।

Tuesday, September 19, 2017

১০ই মহরম সৃতিময় হয়ে থাকবে আজিবন"

 "১০ই মহরম সৃতিময় হয়ে থাকবে আজিবন"
       --------------------------------   কারবালার মাঠে একে-একে যখন সবাই শাহাদাত বরন করছেন এবং হজরত ইমাম হোসাইন(আ.) যখন কেবল একা দাড়িয়ে ছিলেন, তখন তার শেষ কয়টি কথার কিছু অংশের অনুবাদঃ

 "কেন আমাকে হত্যা করতে চাও? আমি কি কোন পাপ অথবা অপরাধ করেছি?" এজিদের সৈন্য বাহিনী বোবার মত দাড়িয়ে রইল। পুনরায় ইমাম হোসাইন(আ.) বললেন, "আমাকে হত্যা করলে আল্লাহ্‌র কাছে কি জবাব দেবে? কি জবাব দেবে বিচার দিবসে মহানবীর কাছে?" এজিদের সৈন্য বাহিনী পাথরের মত দাঁড়িয়ে আছে। আবার ইমাম হোসাইন(রঃ) বললেন, 'হাল্‌ মিন্‌ নাস্‌রিন ইয়ানসুরুনা?" 'আমাদের সাহায্য করার মত কি তোমাদের মাঝে একজনও নাই?' তারপরের আহ্বানটি সাংঘাতিক মারাত্বক। ঐতিহাসিকদের মতে এটাই ইমাম হোসাইন(আ.) -এর শেষ আহ্ববান। "আলাম্‌ তাস্‌মাও? আলাইসা ফিকুম্‌ মুসলিমু?" 'আমার কথা কি শুনতে পাও না? তোমাদের মাঝে কি মাত্র একজন  মুসলমানও নাই?'

      ইমাম হোসাইন(আ.)-এর শেষ ভাষনটি মাত্র একটি ছোট্র বাক্য। তবে এর ব্যাখ্যা যদি কাঁচ ভাঙ্গার মত টুকরো-টুকরো করে দেখাতে চাই তাহলে সেই বাক্যটি হবে খুবই বেদনা দায়ক। তাই বেশি কিছু না বলে শেষ বাক্যটির সামান্য ব্যাখ্যা দিয়ে শেষ করবো। খাজা বাবা যেমন বলেছেন, 'ইমাম হোসাইন আসল এবং নকলের ব্যবধানটা পরিস্কার করে দেখিয়ে গেলেন' সে রকমই অর্থ বহন করছে ইমাম হোসাইন(আ.)-এর শেষ ভাষনটিতে। কারন, এজিদের সৈন্য বাহিনীতে একজন ও  হিন্দু,বৌদ্ধ,খ্রিস্টান অথবা অন্য কোন ধর্মের কেউ ছিল না। সবাই ছিল মুসলমান। অথচ কি সাংঘাতিক এবং ভয়ংকর ভাষন-''তোমাদের মাঝে কি একজন মুসলমানও নাই?'' এজিদের সৈন্যবাহিনীর সবাই মুসলমান এটা আমি অধমের কথা নয় বরং যে কোন বিজ্ঞ আলেমকে প্রশ্ন করে দেখুন। অথচ ইমাম হোসাইন(রঃ) একি তাক লাগানো কথা বলছেন? "তোমাদের মাঝে কি একটি মাত্রও মুসলমান নাই?" না, একটিও সত্যিকার আসল মুসলমান ছিল না বলেই ইমাম হোসাইন(আ.) এই আহ্বান জানিয়ে পৃথিবীকে চোখে আঙ্গুল দিয়ে বুঝিয়ে দিয়ে গেলেন। তিনি বুঝিয়ে দিয়ে গেলেন যে, যারা দাঁড়িয়ে আছে তারা সবাই নকল মুসলমান। বাজারের চালু আসল মালকে নকল করে যেমন জনতাকে ধোঁকা দেয়, সে রকম এরা নকল মুসলমান হয়ে জনতাকে ধোঁকা দিয়ে যায় এবং এই ধোকার ফাদে অনেক বিজ্ঞজনও মনের অজান্তে পা-খানা বাড়িয়ে দেন। বাজারে গিয়ে অনেক বিজ্ঞজনও নকল মাল কেনার ফাঁদে পড়ে যান, সে রকম অবস্থার শিকারও বলতে পারেন। আসল আর নকল চেনবার বিদ্যা রপ্ত করতে হয়, যদিও বিদ্যার প্রশ্নে তা সামান্য। যেমন বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সবচাইতে বড় অধ্যাপককে জায়গাজমি কেনার দলিল লিখতে বললে অক্ষমতা প্রকাশ করবেন, অথচ সেই দলিল লিখছে অল্প শিক্ষিত দলিল-লিখক। তাই আসল আর নকল কে চিনতে হলে একটি বিশেষ জ্ঞানের প্রয়োজন হয় অনেক ক্ষেত্রে। তবে সবার জন্য অবশ্যই নয়।

        এখন মূল বিষয়টির দিকে ফিরে আসছি। সেই বিষয়টি হলো, হজরত ওয়ায়েস করনি কিন্তু মহানবীকে কোন প্রকার সাহায্য সহযোগিতা করা তো দূরে থাক, জীবনে একবার জাহিরি চোখে দেখার ভাগ্যও হয়নি। তাই তাকে সাহাবার খেতাব থেকে বাদ দেওয়া হয়, অথচ কোন কারন নেই, কোন যুক্তি নেই, কোন প্রশ্ন আর সংশয়ের বালাই নেই, কেবল মাত্র মহানবীর প্রতি ভালবাসার দরুন তিনি একে একে সব কটি দাঁত পাথরের আঘাতে ভেঙ্গে ফেললেন। কেন ভাঙলেন এই প্রশ্নের উত্তর খোজা বৃথা। কারন যুক্তির ব্যাখ্যা দেওয়া যায়, কিন্তু ভালোবাসা আর বিশ্বাসের ব্যাখ্যা দেওয়া যায় না। এবং এর ব্যাখ্যা নেই। হজরত ওয়ায়েস করনির মনপ্রান জুড়ে মহানবীর প্রতি কতটুকু ভালোবাসা থাকলে দাঁত ভেঙ্গে রক্ত ঝরাতে পারেন। হয়তো যুক্তি তর্কের মানদন্ডে এই ভালোবাসার মুল্যায়ন কতটুকু বলতে পারবো না তবে, এটুকু অন্তত বলতে চাই যে, ভালোবাসাকে ভালোবাসা দিয়েই মাপতে হয়। অনেকে হয়ত বলতে চাইবেন যে, এ রকম দাঁত ভেঙ্গে ফেলার ভালোবাসার কি মুল্য থাকতে পারে ? এর উত্তর দিতে চাই না এজন্যই যে, এ রকম কিছু প্রশ্ন তোলার মানুষ না থাকলে ভালোবাসার রূপটি একঘেয়েমিতে পরিনত হয়। বিচিত্রতার ঝাকুনি থাকে না। তাই মহানবী তাঁর নিজের জুব্বা মোবারক দিয়ে এই ভালোবাসার মুল্যয়ন করেছেন। এখন আরেকটি বিরাট প্রশ্ন তুলতে চাই যে, মহানবী যে ইমাম হোসাইনকে কতটুকু ভালোবাসতেন তা অনেকেই জানেন, তবু একটি কথা মনে করিয়ে দিতে চাই যে, মহানবী বলেছেন যে, বেহেস্তের দুইজন সরদার হলেন "হাসান এবং হোসাইন" এবং তিনি অন্য আরেকটি হাদিসে বলেছেন, হোসাইনকে যারা ভালোবাসে, তারা হোসাইনের সঙ্গে থাকবে তথা বেহেস্তে থাকবে। একটি প্রশ্ন আসতে পারে তা হলো, ইমাম হোসেনের কারবালার মাঠে সবচেয়ে বেদনাদায়ক শাহাদাত বরনের শোকে ইমাম হোসেনের জন্য শোকের মাতম তুলে, বুক চাপড়িয়ে, ছোট ছোট চাকুর ছড়া দিয়ে পিঠে আঘাত করে 'হায় হোসেন' 'হায় হোসেন' করে রক্ত ঝরায়, তাহলে ইমাম হোসাইন এই ভালোবাসার জন্য কি কিছুই দেবেন না? কারন নিরেট ভালোবাসা এবং এই ভালোবাসার ব্যাখ্যা ও যুক্তি উভয়ই সম্পূর্নরূপে বেকার। ইমাম হোসাইনের ভালোবাসায় কেউ মাতম না করলেও বলার কিছু থাকে না। কারন এটা ব্যাক্তিগত ব্যাপার তা ছাড়া ভালোবাসা তৈরি করা যায় না। আর যারা ইমাম হোসাইনের ভালোবাসায় মাতম করে, রক্ত ঝরায় তাদেরকেও বলার কিছুই থাকে না। কারন যুক্তি ও ব্যাখ্যার যেখানে কবর বা শেষ, ভালোবাসা সেখান থেকেই আরম্ভ হয়। এটা হৃদয় দিয়ে বুঝতে হয় মাথা দিয়ে নয়। যুগে যুগে সব সময় এক শ্রেনীর মানুষ বুঝে মাথা দিয়ে, আর একশ্রেনী বুঝে হৃদয় দিয়ে। কাউকেই তুচ্ছ করা যায় না। কারন এই দ্বান্দ্বিক পদ্বতিতেই সব কিছুর রহস্য লুকিয়ে আছে। কেউ বুঝে কেউ বুঝে না। তাই কাউকেই দোষারোপ না করে এটা যার যার তকদিরের লিখন বললেই সুন্দর মানায়।
               "ইয়া ঈমাম হোসাইন রাঃ আঃ"

Monday, July 10, 2017

_আপনার "মোবাইল টি হতে পারে আপনার ব্যাংক"।

_বন্ধুগন,_*
          *_আপনার "মোবাইল টি হতে পারে আপনার ব্যাংক"।বিনা পয়সায় ঘরে বসে মোবাইল দিয়ে উপার্জন শিখুন আরও 15 জনকে শিখান।_*
            *_প্রধান মন্ত্রী:- মোদী জী।_*

*আপনার সমস্ত অভাব দূর করতে ভারতে এই প্রথম DIGITAL INDIA নিয়ে এল সোনালী সুযোগ। DIGITAL INDIAই এক পয়সা খরচ না করেই বিনা পূজীতে ঘরে বসে একটা বড় উপার্জনের সুযোগ করে দিয়েছে। 2-3 ঘন্টা মোবাইলে কাজ করে প্রতিদিনে অনায়াসে উপার্জন করতে পারেন 500-1,000 টাকা। প্রয়জোন কেবলমাত্র একটি Android ফোন আর ইন্টারনেট কানেকশান। জয়েন করতে আপনার কাছ থেকে কোনো টাকা নেওয়া হবে না, সম্পূর্ণ ফ্রী জয়েনিং, প্রথমে জয়েন করুন তারপর বিশ্বাস করুন, এরপর আপনার মর্জ্জি। আসুন বেকার সমস্যাকে  ভারত থেকে দূর করতে আমাদের কে সহযোগিতা করুন....  কি ভাবে করবেন ?*

*1. প্রথমে আপনার ফোনের PlayStore এ গিয়ে ChampCash Money free
https://play.google.com/store/apps/details?id=com.cash.champ
👈 Apps টি Install করুন*

*2. Sign up with Champcash এ click করে আপনার নাম ঠিকানা দিয়ে proceed করুন।*
http://champcash.com/16929404

*3. Refer ID চাইলে 16929404👈 দিয়ে verify / accept করুন।*
*4. এরপর কিছু application install করার Challenge আসবে Challenge টি সম্পূর্ণ করলেই Bonus Income 1$ (যার ভারতীয় মূল্য 62 টাকা) পেয়ে যাবেন আর আপনার নিজস্ব Sponsor ID তৈরি হয়ে যাবে, যার দ্বারা আপনি ব্যবসাটি করতে পারবেন। জয়েন করার পর নীচের নম্বরে যোগাযোগ করলেই আমি আপনাকে এই সমস্ত কাজ শিখার জন্য WhatsApp Training group এ জুড়ে দেবো। এটা কোনো মিথ্যা প্রতিশ্রুতি নয়। আপনার কোনো রকম সন্ধেহ হলে আপনি YouTube এবং Google এ Search করে দেখে নিতে পারেন।*
 *ইনকামের টাকা টা আপনি মাসের শেষে ব্যঙ্কে অ্যাকাউন্ট এ ট্রান্সফার করে নিতে পারবেন,এছারাও এই টাকা টা মোবাইল রিচার্জ করেও খরচ করতে পারবেন জয়েন করার পর যেকোনো রকম সুবিধার জন্য নীচের নম্বরে WhatsApp/Call এ যোগাযোগ করুন।*
*_👉🏿 +918415904781(WhatsApp)