Thursday, April 27, 2017

ও একটি গোরু "যাকে নিয়ে মিডিয়া এত জলঘোলা করছে।

                  ★★★গরু★গরু★গরু★★★
★"ও একটি গোরু "যাকে নিয়ে মিডিয়া এত জলঘোলা করছে ""
আজ ও নির্বোধ বলে এত ঝামেলা ""
তাই আমার কিছু কথা আছে,
🔜🔜⤵⤵
""   গোবেচারা গরু কি জানে তাদের নিয়ে এখন ভারতীয় সমাজ দু'ভাগ?  রাজনীতি  উত্তাল?
সম্পীতি চুরমার ? দারিদ্র নয়, শিক্ষা নয়, কাজ নয়,  উন্নয়ন নয়, দেশের সবচেয়ে বড় সমস্যা যেন গরুর মাংস ।
নারীপাচার, শিশুপাচারের চেয়েও বড়ো  ইস্যু গরুপাচার ।

গরু তুমি কার ?? হিন্দু,  না  , মুসলমানের?

(আজ যদি ওরা কথা বলতে পারতো )তাহলে নিশ্চয়ই  ওরা পাল্টা প্রশ্ন করত ""
আমার বাচ্চার দুধ কেড়ে যখন তোমরা পান করো, তখন তো এত দরদ  উথলে ওঠে না ??
#দুধ খাওয়া সময় কোনোও ভাগাভাগি নেই, তাহলে আমার #মাংস নিয়ে এত মারামারি কেন? ?

নিজেদের প্রয়োজনে কখনও  আমি তোমাদের "গোমাতা " আবার কখনও সুস্বাদু মাংস ।
আমি হিন্দুর ঘরে ভগবতী, বলে "পূজিত "মুসলমানের ঘরে "জমি চাষের প্রয়োজনে বলদ রুপে প্রতিপালিত ।
#আসলে দুধ শুষে নেওয়া ,পরিশ্রম করিয়ে নেওয়ার পর " শেষে আমার ঠিকানা "কসাইখানা "।

এই ধরনের প্রশ্ন যদি গরু সমাজের পক্ষ থেকে আসে "তাহলে কিন্তু "বাজার ____মানে ___জমে ক্ষির হয়ে যাবে "।
#কিন্তু প্রশ্ন করবে কে "?গরু কি আর মানুষের মত কথা বলে "?
ওরা তো শুধু ""হাম্বা হাম্বা ""ডাক ছাড়া না আছে  ওদের বোধ "না "আছে "বুদ্ধি "। ওরা অবোধ প্রান ,তাই অবহেলার পাত্র ।না হলে কেন নির্বোধ মানুষকে  আমরা "গরু বলে "আখ্যা দিই?
তখন গোমাতার সম্মানের কথা কারও মনে পরে না? ?তবে গরু তার নিজ গুণেই প্রমান করেছে যে, সে প্রানীসমাজের #সহিষ্ঞুতার  প্রতীক ।
যে অত্যাচার তাদের  উপর হয় তার বদলে পাল্টা কিছুই দেয় না তারা ।
মুখ বুজে সহ্য করাই দস্তুর ।
সমাজে দুর্বলই সবচেয়ে অত্যাচারিত ,এ চিরন্তন সত্য ।
তাই কেউ গরুর দুধের পুষ্ঠির লোভে,  আবার কেউ "সুস্বাদু মাংসের লোভে দৌড়াছে ।

আর  এই সব কারনেই "#রাজনীতির প্রয়োজনে আজ সমাজ দুটি ভাগে ভাগ হয়েছে "#এক হিন্দু  " #দুই মুসলিম ।

আসলে দেখতে গেলে কেউ গরুকে সম্মান বা তার  অধিকার ফিরিয়ে দিতে চাইছে না,
যে যার সার্থে "এই নির্বোধ প্রানী টা কে কাজে লাগাচ্ছে ।

#বিঃদ্র =কথা গুলো কি আমি কিছু ভুল বললাম, বন্ধুরা, নিজেরা একটু ঠান্ডা মাথায় চিন্তা করে দেখুন তো ।

Monday, April 17, 2017

mdkabir823: চলিতেছে মিনার নির্মাণ কাজ

mdkabir823: চলিতেছে মিনার নির্মাণ কাজ: আসসালামু আলাইকুম, প্রিয় দ্বিনি ভাইদের দৃষ্টি আকর্ষন করছি। আমাদের ফকিরাদোলা বাইতুন নুর জামে মসজিদের মিনার নির্মাণ কাজ চলিতেছে। যদি কে...

চলিতেছে মিনার নির্মাণ কাজ

আসসালামু আলাইকুম,
প্রিয় দ্বিনি ভাইদের দৃষ্টি আকর্ষন করছি।

আমাদের ফকিরাদোলা বাইতুন নুর জামে মসজিদের মিনার নির্মাণ কাজ চলিতেছে।

যদি কেউ দান করতে চান তাহলে নিচে দেওয়া ঠিকানায় যোগাযোগ করবেন।
       মসজিদ কমিটিঃ
ফকিরাদোলা বাইতুন নুর জামে মসজিদ,
ফকিরাদোলা,মতিনগর,সোনামুড়া,
সিপাহিজলা,ত্রিপুরা(ভারত)



Friday, April 14, 2017

আসসালামু আলাইকুম.......




আমি মোঃ কবির হোসেন....

পিতাঃ রহিম আআলি

গ্রামঃ ইউ,এন,সি নগর

পোঃ মতিনগর

থানাঃ সোনামুড়া

জেলাঃ সিপাহিজলা,
ত্রিপুরা,ভারতবর্ষ,
পিনঃ ৭৯৯১৮১



Thursday, January 19, 2017

পজাতন্ত্র দিবস ও ২৬শে জানুয়ারি

ভারতের সংবিধান ভারতীয় প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন। এই সংবিধানে সরকারের গঠন, কার্যপদ্ধতি, ক্ষমতা ও কর্তব্য নির্ধারণ, মৌলিক অধিকার, রাষ্ট্রপরিচালনার নির্দেশমূলক নীতি এবং নাগরিকদের কর্তব্য নির্ধারণের মাধ্যমে দেশের মৌলিক রাজনৈতিক আদর্শের রূপরেখাটি নির্দিষ্ট করা হয়েছে। ১৯৪৯ সালের ২৬ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হওয়ার পর ১৯৫০ সালের ২৬ জানুয়ারি থেকে এই সংবিধান কার্যকর হয়।
উল্লেখ্য, ১৯৩০ সালের ২৬ জানুয়ারি জাতীয় কংগ্রেসের ঐতিহাসিক স্বাধীনতা ঘোষণার স্মৃতিতে ২৬ জানুয়ারি তারিখটি সংবিধান প্রবর্তনের জন্য গৃহীত হয়েছিল। সংবিধানে ভারতীয় রাজ্যসংঘকে একটি সার্বভৌম, সমাজতান্ত্রিক, ধর্মনিরপেক্ষ গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র রূপে ঘোষণা করা হয়েছে; এই দেশের নাগরিকবৃন্দের জন্য ন্যায়বিচার, সাম্য ও স্বাধীনতা সুনিশ্চিত করা হয়েছে এবং জাতীয় সংহতি রক্ষার জন্য নাগরিকদের পরস্পরের মধ্যে ভ্রাতৃভাব জাগরিত করে তোলার জন্য অনুপ্রাণিত করা হয়েছে। "সমাজতান্ত্রিক", "ধর্মনিরপেক্ষ" ও "সংহতি" এবং সকল নাগরিকের মধ্যে "ভ্রাতৃভাব" – এই শব্দগুলি ১৯৭৬ সালে একটি সংবিধান সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানের সঙ্গে যুক্ত করা হয়। সংবিধান প্রবর্তনের স্মৃতিতে প্রতি বছর ২৬ জানুয়ারি তারিখটি প্রজাতন্ত্র দিবস হিসেবে উদযাপন করা হয়।
ভারতের সংবিধান বিশ্বের সার্বভৌম রাষ্ট্রগুলির মধ্যে বৃহত্তম লিখিত সংবিধান। এই সংবিধানে মোট ২৪টি অংশে ৪৪৮টি ধারা, ১২টি তফসিল এবং ১১৩টি সংশোধনী বিদ্যমান। ভারতের সংবিধানের ইংরেজি সংস্করণে মোট শব্দসংখ্যা ১১৭,৩৬৯। এই সংবিধানের প্রবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে পূর্বপ্রচলিত ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনের অবসান ঘটে। দেশের সর্বোচ্চ আইন হওয়ার দরুন, ভারত সরকার প্রবর্তিত প্রতিটি আইনকে সংবিধান-অনুসারী হতে হয়। সংবিধানের খসড়া কমিটির চেয়ারম্যান ড. ভীমরাও রামজি আম্বেডকর ছিলেন ভারতীয় সংবিধানের প্রধান স্থপতি।
প্রজতন্ত্র দিবস গোটা ভারত জুড়ে প্রতি বছর অত্যন্ত মর্যাদার সঙ্গে পালন করা হয়। শহিদ ও স্বাধীনতা সংগ্রামীদের স্মরণ করা হয়, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়, ছোটদের প্রভাত ফেরি তো থাকেই। পাশাপাশি পাড়ায় পাড়ায়, স্কুলে স্কুলে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়।
সূত্র: উইকিপিডিয়া

Saturday, December 10, 2016

১২ রবিউল আউওয়াল কি করবেন ?

আসসালামু আলাইকুম ওয়ারহমাতুল্লাহ

আপনি রোজা ও কোরবানীর ঈদে নতুন কাপড় পরেন,
ঘরে আলাদা করে মেহমানদারীর ব্যবস্থা করেন,
ঘরবাড়ি সাজান, মানুষকে দাওয়াত দেন।

তাহলে---

-যে দিন আমাদের প্রিয় নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পৃথিবীতে আগমণ করেন,
-যেই দিন আমরা নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে আমাদের মধ্যে পাই,
সেই দিন তো আমাদের জন্য সবচেয়ে খুশির দিন। ঐদিনটিকে তো আমাদের আরো সুন্দর করে, জাকজমক করে উদযাপন করা উচিত।
আপনারা প্রত্যেকে চেষ্টা করবেন- ঐদিন নতুন কাপড় পরার জন্য,
আপনারা চেষ্টা করবেন ঐদিন বাসায় মেহমানদারির ব্যবস্থা রাখার জন্য
আপনারা প্রত্যেকে ঐদিন বাসাবাড়ি সাজাবেন, মানুষকে দাওয়াত দিবেন।
এখন বলুন তো-
এই কাজগুলো করলে আপনি ফজিলত পাবেন ?
উত্তর- সূরা ইউনুস খুলে দেখুন। সেখানে কি বলা আছে-
“ হে আমার হাবীব সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি সবাইকে জানিয়ে দিন, তারা যে ফজল ও রহমত (অর্থাৎ নবীজিকে) পেয়েছে, সে উপলক্ষে তারা যেন ঈদ পালন বা খুশি প্রকাশ করে। নিশ্চয়ই এ খুশি করাটা তাদের সঞ্চিত সমস্ত নেক আমল হতে উত্তম।” (সূরা ইউনুস: ৫৮) সুবহানাল্লাহ।
অর্থাৎ এ দিনটিতে প্রিয় হাবীব সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে পাওয়া উপলক্ষে খুুশি করার ফজিলত হচ্ছে দুনিয়া ও আখিরাতের সঞ্চিত সকল কিছু থেকেই উত্তম। সুবহানাল্লাহ। তাই আপনি ঐদিন উপলক্ষে খূশি করলে, নতুন জামা-কাপড় পড়লে, মেহমানদারি করলে, ঘরবাড়ি সাজালে এর ফাজিলতও হবে সকল কিছুর থেকেই উত্তম। সুবহানাল্লাহ।

Tuesday, November 22, 2016

বার্মা মানে নিশ্চিত মৃত্যু, বলছেন পালিয়ে আসা রোহিঙ্গারা।


বার্মা মানে নিশ্চিত মৃত্যু, বলছেন পালিয়ে আসা রোহিঙ্গারা
এক ঘণ্টা আগে
শেয়ার করুন
পালিয়ে আসা রোহিঙ্গারাImage
Image
রোববার রাতে মংডু থেকে পালিয়ে বাংলাদেশের টেকনাফে আশ্রয় নেন এরা।
মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের মংডু থেকে পালিয়ে আসা অনেক রোহিঙ্গা বলেছেন, মিয়ানমারে থাকা মানে নিশ্চিত মৃত্যু, তাই তাঁরা বাংলাদেশেই থেকে যেতে চান।
বাংলাদেশ সরকার সীমান্তে কঠোর নজরদারি চালালেও বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় এসে আশ্রয় নিচ্ছেন রাখাইনের রোহিঙ্গা মুসলিমরা।
রোববার রাতেও নৌকায় করে টেকনাফের হ্নীলা এলাকায় এসেছেন অন্তত ১৩ জন রোহিঙ্গা। এদের সাথে কথা বলেছেন বিবিসির সংবাদদাতা আকবর হোসেন।
জানা গেছে, রাখাইনের সহিংস পরিস্থিতি থেকে পালিয়ে রোববার রাতে একটি নৌকায় করে টেকনাফের উদ্দেশ্যে রওনা দেন অন্তত ২০ জন রোহিঙ্গা মুসলমান।
কিন্তু নাফ নদীর মাঝপথে তাদের নৌকা ডুবে যায়। তখন অন্য একটি নৌকা এসে তাদের বাঁচালেও ৭ জন যাত্রী এখনও নিখোঁজ রয়েছে। নিখোঁজদের মধ্যে শিশুও রয়েছে।
প্রাণভয়ে পরিবার নিয়ে বাংলাদেশের সীমান্তে আসার সময় তিন সন্তানকে হারিয়েছেন হুমায়ুন কবির ও রোকেয়া বেগম।
হুমায়ুন কবির বলেছেন, তিনি আর মিয়ানমারে ফিরে যেতে চান না, যেভাবেই হোক বাংলাদেশেই থেকে যেতে চান তারা।
"ওইখানে খারাপ ছিলাম না। কিন্তু এখন সেখানে যে পরিস্থিতি থাকার মতো অবস্থা আর নাই। ওইখানে ফিরে গেলে নিশ্চিত মৃত্যু" - বলছিলেন হুমায়ুন কবির।
মি: কবির বলছেন তাদের সাথে আরও অনেক রোহিঙ্গা মুসলিম বাংলাদেশে আসার প্রস্তুতি নিচ্ছিল, কয়েকটি নৌকায় তারা রওনাও দিয়েছিল। কিন্তু তাদের এখন কী অবস্থা, জানেন না তিনি।facebook.com/mdhossain823

Wednesday, September 21, 2016

আসুন সৌদিআরব দেশটি সম্পর্কে আমরা জেনে নেই।

সৌদি আরব মধ্যপ্রাচ্যের বৃহত্তম রাষ্ট্র। এর রাজধানীর নাম রিয়াদ। আয়তন : ২২,৫০,০০০ বর্গ কিলোমিটার। রাজনীতিক দল গঠন করা যায় না। এটি একটি ধর্মভিত্তিক শাসনব্যাবস্থা, যা বলা হয় তা ধর্ম আদলে হলেও রাজার কথাই শেষ কথা। রাজার কথাই শেষ কথা বলে জনগনের মতামতের কোন মুল্য নেই তাই কোন রাজনীতিক দল ও নেই। দেশের বেশির ভাগ অঞ্চলই মরুভূমি। দেশের সবচেয়ে বড় মরুভুমির নাম রাব-আল-খালি। আড়াআড়ি দু'টি তরবারীর ওপর একটি খেজুর গাছ হলো সউদী আরবের জাতীয় প্রতীক, খেজুর গাছ দ্বারা বুঝানো হয়েছে সমৃদ্ধি ও প্রবৃদ্ধি, আর তরবারী দ্বারা ন্যায় বিচার, শক্তি ও নিরাপত্তা বুঝানো হয়েছে। কট্টরপন্থি মুসলিম দেশ হিসেবেই সৌদি আরবকে চেনে বিশ্ব।

সৌদি আরবের জনসংখ্যা প্রায় ৩ কোটি। আরবি ভাষা সৌদি আরবের সরকারী ভাষা। সৌদি আরবে বর্তমানে ১৩ লাখ ভারতীয় শ্রমিক রয়েছে। এখানকার ৮০%-এরও বেশি লোক আরবি ভাষায় কথা বলে। সৌদি আরবের পতাকা কখনোই কোনো অবস্থাই অর্ধনমিত করা হয় না। কারন, এতে পবিত্র কালেমা রয়েছে। ১৯৩২ সালে আধুনিক রাষ্ট্র হিসাবে সৌদি আরব প্রতিষ্ঠার পর এর প্রতিষ্ঠাতা বাদশাহ আব্দুল আযীয বিন আব্দুর রহমান আল সউদ আরব ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে হিফাযত এবং চিরস্থায়ী করার দিকে মনোনিবেশ করেন। তাঁর নিষ্ঠা ও প্রচেষ্টাকে তাঁর সন্তানগণ অব্যাহত রাখেন। কোনো সৌদি পুরুষ যদি ভিনদেশি কোনো নারীকে বিয়ে করতে চায় তাহলে তার বয়স হতে হবে অন্তত ৩০ বছর। আবদুল আজিজ ইবনে সৌদ - বর্তমান সৌদি আরবের প্রতিষ্ঠাতা। ১৩০০ বছর পর মধ্যপ্রাচ্য মুসলিম খিলাফতের হাতছাড়া হয়ে যায়।

আরবের সবার, নারী ও পুরুষ, তাদের আছে অদম্য যৌনক্ষুধা। এরা বোধ করি বিশ্বের সবচাইতে কামাতূর লোক। সৌদি আরবে কাজ করার জন্য বিভিন্ন দেশ যেমন ফিলিপাইন, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, ভারত, পাকিস্তান, ও আফ্রিকার লোকজন লাইন দিয়ে আছে। সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদকে ২০০০ ইং সালের জন্য যথার্থভাবেই সমগ্র আরব বিশ্বের সাংস্কৃতিক রাজধানীরূপে বাছাই করা হয়েছিল। তাপমাত্রা ১২ থেকে ৫১ ডিগ্রী সেলসিয়াস উঠানামা করে, বৃষ্টিপাত বিক্ষিপ্ত ও অনিয়মিত। দীর্ঘস্থায়ী উষ্ম ও শুস্ক গ্রীষ্মকাল। রাতে তাপমাত্রা উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পায়। শীতকালে হালকা তুষারপাত হয়। আয়তনের তুলনায় মানুষ খুবই কম তাই তারা বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে ‘শ্রমিক’ আমদানী করে। বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় দেশটি ছিল পাকিস্তানপন্থী। এমনকি পাকিস্তান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়ার পরও বঙ্গবন্ধু জীবিত থাকাকালীন সৌদি আরব বাংলাদেশকে স্বীকার করেনি।

প্রাচীনকালে আরবে মেয়েদের জীবিত কবর দেবার এক নিষ্ঠুর পদ্ধতি প্রচলিত ছিল। সন্তান প্রসবকালেই মায়ের সামনেই একটি গর্ত খনন করে রাখা হতো। মেয়ে সন্তান ভূমিষ্ঠ হলে তখনই তাকে গর্তে ফেলে দিয়ে মাটি চাপা দেয়া হতো ।সৌদী আরবে কর্মরত বাংলাদেশী, ইন্দোনেশীয় বা ফিলিপিনো নারীদের জন্য বৈষম্যের চেয়েও বড় সমস্যা যৌন নির্যাতন। সৌদী সমাজ ঘোরতরভাবে পুরুষতান্ত্রিক। তাদের পরিবারে এমনকি প্রতিদিন কি রান্না হবে সেই সিদ্ধান্তও দেয় পুরুষেরা। নারীদের জন্য চিন্তা করাই নিষিদ্ধ। আর গৃহকর্মী ধর্ষণ সৌদি সমাজে গ্রহনযোগ্য বিষয়। একাত্তরের ১৬ই ডিসেম্বরের পর পর এদেশ থেকে বহু সংখ্যক স্বাধীনতা বিরোধী ‘রাজাকার-আলবদর’ পাকিস্তানী পাসপোর্ট নিয়ে সৌদি আরব পলায়ন করে ও সৌদি সরকারের বিশেষ আনুকূল্যে সরকারী চাকুরী লাভ করে, যারা পরবর্তীতে ৭৬-এর পর থেকে বাংলাদেশ দূতাবাসের মাধ্যমে বাংলাদেশী পাসপোর্ট পায় এবং সৌদি ভূখন্ডে জামাতী রাজনীতির ভীত মজবুত করে।

ঢাকায় অবস্থিত দূতাবাসগুলোর মধ্যে সৌদি আরব দূতাবাস অন্যতম। সৌদি আরবে ভিসা প্রসেসিংয়ের জন্য আল-মানার কনসালটেন্সি লিমিটেড এজেন্সীতে যেতে হয়। বেশিরভাগ সৌদি পুরুষ দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে যে নারীদের নিজস্ব কোন আশা, আকাঙ্খা, উচ্চাভিলাস থাকতে পারে না। তাই বিবাহের ব্যাপারে সৌদি মেয়েদের অভিমত সম্পূর্ণ অবান্তর। একটি সৌদি মেয়ে সম্পূর্ণভাবে তার মালিকের সম্পদ। মেয়েটির মালিক তার মেয়েটির ভাগ্য নির্ধারক। সৌদি পুরুষেরা মনে করে যে তাদের গোত্রের মেয়েরা অন্য অজানা গোত্রের ছেলের সাথে বিবাহ হওয়া খুবই লজ্জার ব্যাপার। সৌদি শেখদের বিলাসী ও ভোগবাদী জীবন এখন বিশ্বস্বীকৃত। একটি হোটেলে অনেক বেশী খাবারের অর্ডার দিয়ে সামান্য খেয়ে বাকি খাবার ফেলে দেয়া ওদের রীতি। সৌদিদের খাবার, গাড়ি, নারী ও বাড়ি ‘অপচয়’ দেখলে হয়তো অপচয়কারী ‘শয়তান’ও লজ্জা পাবে।

সৌদি সরকারের ক্ষমতার উৎস কোরআন ও রাসূলের হাদিস এবং দেশের সব বিধান ও আইন এর আলোকেই প্রণীত। বলা চলে আল্লাহর কিতাব কোরআন এবং মুহাম্মদ(সা.)-এর হাদিস এর সংবিধান অর্থ্যাৎ সকল আইন ও বিধির উৎস। সৌদি সরকারী নীতি হচ্ছে: ইসলাম ব্যতীত অন্য সব ধর্মই মিথ্যা; শুধুমাত্র ইসলামই সত্যিকার ধর্ম। এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য গোঁড়ামিপূর্ণ সৌদি সরকারের নীতি হচ্ছে যে কোন প্রকারেই হউক যতবেশি সম্ভব, এবং যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বিধর্মীদ

Thursday, September 1, 2016

সোনামুড়া থানা সহ দেশের সবাইকে অগ্রিম শুভেচ্ছা।


  • আসসালামু আলাইকুম ওয়ারহমাতুল্লাহ

  • হজ্জ ২০১৬ সফল হক

  • আমি মোঃ কবির হোসেন(আবু সুমাইয়া) সৌদিআরব প্রবাসীদের পক্ষ থেকে বিশ্বের সমস্ত হাজি গনদের কে। 
  • জানাই মোবারক বাদ ও অভিনন্দন।

  • সেই সাথে সোনামুড়া থানা সহ সকল দেশ বাশিকে আমার পক্ষ থেকে পবিত্র ঈদ-উল-আযহার অগ্রিম শুভেচ্ছা                                                                                      


শুভেচ্ছান্তে :
মোঃ কবির হোসেন(আবু সুমাইয়া)
সোনামুড়া, ত্রিপুরা,ভারতবর্ষ।
mdkabir823@gmail.com

Tuesday, August 30, 2016

হেরা গুহা মুসলমানদের জন্য একটি পবিত্র স্থান।

হেরা গুহা...................
.
.
মুসলমানদের জন্য হেরা গুহা একটি পবিত্রতম স্থান। ইসলামিক নিদর্শনের মধ্যে জাবাল আল-নূর পাহাড়ের এই স্থানটি অনন্য। এখানে বসেই ধ্যান করতেন মহানবী হযরত মুহাম্মদ (স.)। রাসূলের ৪০ বছর বয়সে ধ্যানমগ্ন অবস্থায় এখানেই সর্বপ্রথম কোরআন নাজিল হয়। হেরা গুহায় বসেই নবুয়াত লাভ করেন তিনি।
.
মক্কার মসজিদুল হারাম থেকে ৫ কিলোমিটার উত্তর দিকে অবস্থিত জাবাল আল-নূর পাহাড়। এর উচ্চতা ৬৪২ মিটার। মক্কার সর্বোচ্চ পাহাড়ও এটি। হেরা গুহাটি পাহাড়ের চূড়া থেকে ৫০ মিটার নিচে। গুহার প্রবেশ পথ উত্তরমুখী এবং এর উচ্চতা মধ্যম আকৃতির একজন মানুষের উচ্চতার সমান। এ গুহাতে এক সঙ্গে ৫ জন বসতে পারেন। ওই গুহার একটি পাথরে খোদাই করে সুরা আলাকের প্রথম কয়েকটি আয়াত লেখা আছে।
.
প্রতি বছর হজের জন্য সৌদি আরবে গমনকারীদের হেরা গুহার প্রতি অন্যরকম আকর্ষণ থাকে। হজ্জ্বের সময় প্রচণ্ড গরম উপক্ষো করে হেরা গুহা দেখতে ছুটে যান অনেক হাজিগন।
.
পাহাড়ে উঠতে গিয়ে প্রচণ্ড গরমে ঘামেন তারা। হেরা গুহার কাছে পৌঁছানোর পর ঘামে ম্লান থাকে তাদের মুখমণ্ডল। তবে তাদের চোখে-মুখে থাকে মহান আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতার ছাপ; এসময় তাদের অনেকের চোখ থেকে ঝরে সন্তুষ্টির অশ্রু।
.


.